বিধিভঙ্গের অভিযোগ শাস্তির মুখে পড়তে পারেন ২০ জন বিরোধী সাংসদ
বিধিভঙ্গের অভিযোগ শাস্তির মুখে পড়তে পারেন ২০ জন বিরোধী সাংসদ
২৯ নভেম্বর, সোমবার থেকেই শুরু হচ্ছে লোকসভার শীতকালীন অধিবেশন। আর এই সেশনেই ২০ জন বিরোধী সাংসদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কারণ? এর আগে বর্ষাকালীন অধিবেশনে সংসদীয় বিধি ভেঙেছিলেন তাঁরা। এই কারণেই ২০ জন সাংসদকে সাসপেন্ড করার কথা ভাবছে সরকার।

এর আগে অগাস্ট মাসে রাজ্যসভার সভাপতি বেঙ্কাইয়া নাইডুকে একটি বিশেষ কমিটি গড়ার আবেদন করেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। জানা গিয়েছিল, সেই কমিটি সবিস্তারে সংসদভবনে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলির তদন্ত করবে এবং একই সঙ্গে ওই বিরোধী সাংসদদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেবে। টেবিলের ওপর দাঁড়ানো, কাঁচ ভেঙে দেওয়া, মহিলা মার্শালদের সঙ্গে ধ্বস্তাধস্তির জন্য ওই বিরোধী সাংসদদের দায়ীও করেন পীযূষ।
বর্ষাকালীন অধিবেশনে বিরোধীদের উৎপাতে বারংবার ব্যাহত হয়েছে সংসদের কাজ। এমনিতে ১৩ অগাস্ট অধিবেশন শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বারেবারে বিরোধীরা বাধা দেওয়ায় তা দু'দিন আগেই মূলতুবি করে দেওয়া হয়৷ তিনটি কৃষি আইন এবংবপেগাসাস নিয়ে বিরোধীরা যেভাবে সরব হয়েছিলেন, তাতে সাধারণ ছন্দে লোকসভার অধিবেশন চলছিল না। যদিও এই ঘটনায় দায় ঝেড়ে ফেলেছিলেন বিরোধীরা। তাঁদের মতে, কেন্দ্রীয় সরকারের জন্যই বর্ষাকালীন অধিবেশনে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।
১১ অগাস্ট তিনটি কৃষি আইন এবং কৃষক আন্দোলন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল লোকসভায়। আর তখনই বেশ কিছু সাংসদ টেবিলের ওপর উঠে দাঁড়িয়ে কালো পতাকা দেখাতে শুরু করেন। ক্রমাগত সরকার বিরোধী স্লোগান তো বটেই। অনেকে আবার সাংসদীয় সচিবদের বসার জায়গায় ফাইলও ছোঁড়েন। যথারীতি শুরু হয় রাজনৈতিক তরজা৷ সাংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী অভিযোগ করেন, বিরোধী দলের সাংসদরা রাজ্যসভার মার্শালের সঙ্গে ধ্বস্তাধস্তি করেছেন। পালটা বিরোধীরাও দাবি করে, মার্শালরাই প্রথমে বিক্ষোভরত সাংসদদের আক্রমণ করেছিল।
কংগ্রেসের কিছু মহিলা সাংসদ আবার দাবি করেন, ওয়েলে নেমে প্রতিবাদ জানানোর সময় পুরুষ মার্শালরা তাঁদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন৷ কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, ' ইতিহাসে এই প্রথমবার রাজ্যসভার সদস্যদের হেনস্থার শিকার হতে হল, তাদের মারা হল। এটা গণতন্ত্রের হত্যা ব্যতীত আর কিছুই নয়।'












Click it and Unblock the Notifications