পীযূষ জৈনের কনৌজের বাড়ি থেকে ১৯ কোটি টাকা নগদ, সোনা বাজেয়াপ্ত, ১৪ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজত
পীযূষ জৈনের কনৌজের বাড়ি থেকে ১৯ কোটি টাকা নগদ, সোনা বাজেয়াপ্ত, ১৪ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজত
আয়কর বিভাগ কানপুরের ব্যবসায়ী পীযূষ জৈন ব্যক্তির বাড়িতে হানা দিয়ে কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছেন । কানপুরের ব্যবসায়ী পীযূষ জৈনকে সোমবার ১৪ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি বলেন, পৈত্রিক সম্পত্তি ৪০০ কেজি সোনা বিক্রি করে এই নগদ পেয়েছি।’ জেরার মুখে পীযূষ নিজের সম্পত্তির উত্স সম্পর্কে কথা বললেন। ব্যবসায়ী স্বীকার করেছেন, বিনা জিএসটিতে পণ্য বিক্রি করে কর ফাঁকি দিয়ে এত পরিমাণ অর্থের মালিক হয়েছিলেন তিনি।

৫০০ টি চাবি উদ্ধার
ডিজিজিআই অফিসাররা ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে পাঁচশোটি চাবি খুঁজে পেয়েছেন। তবে, এত চাবির থেকে তালা খোলা খুব কঠিন ব্যাপার। এতগুলি তালা খুলতে ভিজিল্যান্স টিমকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। পরে ৪ ঘণ্টা পরে তালা ভাঙতে এক ডজন কারিগরকে ডাকা হয়। মাটি খুড়েও উদ্ধার করা হয় নোটের বান্ডিল। ডাকা হয় দিনমজুরদেরও। ব্যবসায়ীর টাকা খুঁজতে লখনউ থেকে বড় এক্স-রে মেশিন আনা হয়। ৮৪ ঘণ্টা ধরে কাজ করে ৩৪ জন আধিকারিক।

উদ্ধার ১৯৪.৫ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা
জানা গিয়েছে, ব্যবসায়ীর বাড়িতে থেকে উদ্ধার করা হয় ১৯৪.৫ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা। পাশাপাশি উদ্ধার করা হয়েছে ১২৫ কেজি সোনা, ৬০০ কিলো চন্দন কাঠ ও কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তির নথি পাওয়া গেছে।

১০০০ কোটি টাকার সম্পদ উদ্ধার
অভিযান চালিয়ে এখন পর্যন্ত প্রায় ১০০০ কোটি টাকার সম্পদ উদ্ধার করা হয়েছে। ব্যবসায়ীর বাড়ির দেয়াল থেকে সোনার খসে পড়ছে আর মাটির তলা থেকে নগদ টাকার বান্ডিল পাওয়া গেছে। রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ছিপ্পট্টিতে অবস্থিত তাঁর বাড়িতে ১২৫ কেজি সোনা পাওয়া গিয়েছে। DGGI অফিসাররা ৫০টিরও বেশি ব্যাগে ৩৫০টি ফাইল এবং ২৭০০টি নথি ঢুকিয়ে তা বাজেয়াপ্ত করেছেন। পীযূষের বেডরুমের খাটের ভিতর থেকে নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

জাকির হুসেন কী জানালেন
DGGI-এর অতিরিক্ত ডিরেক্টর জাকির হুসেন বলেন, "আমরা আমাদের 'পঞ্চনামা' শেষ করেছি। আমরা সোনা উদ্ধার করেছি, ডিআরআই-এর কাছে হস্তান্তর করেছি, তবে তদন্ত চলছে। কানপুরে যে সোনা উদ্ধার করা হয়েছে তা আলাদা। এখানে, আমরা প্রায় ১৯ কোটি টাকা নগদ উদ্ধার করেছি। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মতে, এটিই সবচেয়ে বড় নগদ উদ্ধার।"

১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজত
গত পাঁচ দিনে অনুসন্ধানের সময় সংগ্রহ করা প্রমাণগুলি কর ফাঁকি উদঘাটনের জন্য পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। এই ঘটনায় অভিযুক্তকে ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছে কানপুর আদালত।












Click it and Unblock the Notifications