নতুন করে আরও ১৮ জন ছাত্র করোনা পজিটিভ আইআইটি মাদ্রাসে
নতুন করে আরও ১৮ জন ছাত্র করোনা পজিটিভ আইআইটি মাদ্রাসে
২২ এপ্রিল শুক্রবার মাদ্রাস আইআইটিতে নতুন করে আরও আঠারো জন ছাত্রের কোভিড পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে৷ দিল্লি, মু্ম্বইয়ের মতো বড় শহরগুলির পর এবার মাদ্রাসেও কোভিড সংক্রমণে গতি দেখা যাচ্ছে৷ কয়েকদিন আগেই আইআইটি মাদ্রাসে ১২ জন শিক্ষার্থীর কোভিড পরীক্ষার রিপোর্ট পজেটিভ এসেছিল৷ নতুন করে কোভিড পজিটিভ চিহ্নিত হওয়াতে মাদ্রাস আইআইটিতে কোভিড পজিটিভ সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ৩০ এ৷ তবে শুধু মাদ্রাসে নয় সারা দেশেই নতুন করে কোভিড বাড়ছে৷ একটি সমীক্ষায় দাবি করা হয়েছে দিল্লিতে কোভিড সংক্রমণ ৫০০ শতাংশ বেড়েছে৷ নতুন করে মাস্ক বাধ্যতামূলক করা হয়েছে দিল্লিতে৷

মাদ্রাস আইআইটিতে পজিটিভ আসা এই সব ছাত্রছাত্রদের সবাই আইআইটি হোস্টেলেই থাকতেন বলে জানা গিয়েছে৷ আইআইটি প্রশাসন এবং স্বাস্থ্য বিভাগ ক্যাম্পাস স্যানিটেশন শুরু করেছে। পাশাপাশি প্রশাসনকে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করতে বলা হয়েছে। রাজ্যের স্বাস্থ্য সচিব রাধাকৃষ্ণন এর আগে বলেছিলেন যে ভাবে রাজ্যে কোভিড কেস বাড়ছে তা অবশ্যই উদ্বেগজনক। রাধাকৃষ্ণন আরও জানিয়েছেন পজিটিভ আসা কেসগুলির জিনোম বিশ্লেষণে জানা গিয়েছে ৯০ শতাংশই হল করোনার নতুন স্ট্রেন ওমিক্রনের সাব ভ্যারিয়ান্ট বিএ.২,
অন্যদিকে শুক্রবার, দেশে কোভিড -১৯-এর ২৪১৫ টি নতুন কেস রেকর্ড করা হয়েছে৷ দেশে মোট সক্রিয় করোনা কেস ১৪২৪১। ভারতে এখনও পর্যন্ত মোট ৫,২২,১১৬ জনের কোভিড মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ২২ এপ্রিল, শুক্রবার দেশে মোট টিকা দেওয়া মানুষের সংখ্যা ১,৮৭,২৬,২৬,৫১৫ এ পৌঁছেছে। দৈনিক করলনা পজিটিভিটি রেট দাঁড়িয়েছে ০.৫৫ শতাংশ এবং সাপ্তাহিক ইতিবাচকতার হার ০.৪৭ শতাংশ৷
সংবাদমাধ্যমের খবর, করোনার গতি রুখতে আরটিপিসিআর ও জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ে জোর দিতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা! সম্প্রতি দিল্লির ডিডিএমএ সভায়, করোনা টিকা ও বুস্টার ডোজ দেওয়ার উপর জোর দেওয়া হয়েছে৷ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বারবার বলছেন গণটিকাকরণ ও মাস্ক ব্যবহারই মহামারীর প্রভাব নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করবে। তবে আশার কথা শোনাচ্ছেন চিকিৎসকরা দিল্লি সহ সারা দেশেই যে হারে নতুন কোভিড কেস বাড়ছে সে তুলনায় হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা কম। তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন এখনিই আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই। তবে হাসপাতালে ভর্তির প্রবণতাগুলি পরবর্তী ওয়েভের জন্য নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করার কথা বলেছেন তাঁরা একই সঙ্গে আরটিপিসিআর টেস্টের মাধ্যমে সমস্ত ইতিবাচক নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ে জোর দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে৷












Click it and Unblock the Notifications