ভোটের আগে বাজেয়াপ্ত ১৫২ কোটি টাকা, ২৩ কোটি ৩৬ লক্ষের মদ
এদেশে ভোট কেনা-বেচা হয় সবাই জানে। ভোট কেন, বিধায়ক সাংসদ অবধি এখন বিক্রয়যোগ্য পন্য। অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের ঢিল ছোরাছুরি যতই হোক, সব দলই মুখে স্বীকার না করলেও এই অপকর্ম করেই থাকে।
এদেশে ভোট কেনা-বেচা হয় সবাই জানে। ভোট কেন, বিধায়ক সাংসদ অবধি এখন বিক্রয়যোগ্য পন্য। অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের ঢিল ছোরাছুরি যতই হোক, সব দলই মুখে স্বীকার না করলেও এই অপকর্ম করেই থাকে। কখনও টাকা, কখনও মদ বা কখনও অন্যান্য সুয়োগ সুবিধার প্রতিশ্রুতি থাকে। কর্ণাটকে আগামী ১২ মে নির্বাচন। কাজেই দাক্ষিণাত্যের এই রাজ্যেও এখন বাতাসে টাকা উড়বে, রাস্তায় মদ গড়াবে এটাই স্বাভাবিক। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য সেই অনুমানকেই সমর্থন করছে।

জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত নগদ, সোনা-রূপো মিলিয়ে মোট ১৫২ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে কমিশন। যার মধ্যে ৬৭ কোটি ২৭ লক্ষ হল নগদ । পাশপাশি বাজেয়াপ্ত হয়েছে মদও। যার বাজার মূল্য প্রায় ২৩ কোটি ৩৬ লক্ষ টাকা। তবে কোথা থেকে এসব মিলেছে, কারা ব্যবহার করছিল কিছুই বিশদে জানানো হয়নি।
কিছুদিন আগে তামিলনাড়ুতে ফাঁস হয়েছিল ভোটারদের ঘুষ দওয়ার বিষয়টি সামনে চলে আসায় দুটি আসনের উপনির্বাচন স্থগিত করতে হয়েছিল। তার আগে ২০১৬-য় ওই একই রাজ্যে ভোটের সময় ৫৭০ কোটি টাকা সমেত ৩টি ট্রাক বাজেয়াপ্ত করেছিল নির্বাচন কমিশন। যএ টাকার কোনও দাবিদার ছিল না। পরবর্তীকালে অবশ্য স্টেট ব্যাঙ্ক ওই টাকা তাদের বলে জানিয়েছিল। কিন্তু তাতেও সব উত্তর মেলেনি। প্রশ্ন থেকে গিয়েছে উপযুক্ত নথি ছাড়াই ওই নগদ নিয়ে যাওয়া নিয়ে।
আবার উত্তরের রাজ্য পঞ্জাবে গত বিধানসভার ভোটের সময় ভোটাদের মদের টোকেন বিলি করা হয়েছিল। সে খবরও জানাজানি হয়ে গিয়েছিল। তাই দক্ষিণ থেকে উত্তর নির্বাচনে টাকা ও মদ ঢেলে ভোট জেতার ট্র্যাডিশন চলছেই। কিন্তু নোট বাতিলের সময় তো বলা হয়েছিল নির্বাচনে এই যে অর্থ ব্যবহার করা হয় তার সবটাই অবৈধ, হিসেব বহির্ভূত। বলা হয়েছিল নোট বাতিলে সেই প্রবণতার ইতি ঘটবে। আটকে যাবে। সে দাবির কি হল?












Click it and Unblock the Notifications