ছত্তিশগড়ের গরিয়াবন্দে পুলিশের দুঃসাহসিক এনকাউন্টার, খতম ১৪ মাওবাদী
ছত্তিশগড়ের মাওবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ফের বড় সাফল্য নিরাপত্তা বাহিনীর। ওড়িশার সীমান্ত লাগোয়া গরিয়াবান্দ জেলায় টানা ৩৬ ঘণ্টা অভিযানের পর এল সাফল্য। মঙ্গলবার ওড়িশার সাথে রাজ্যের সীমান্তে ছত্তিশগড় জেলার গারিয়াবন্দ জেলায় ছত্তিশগড় পুলিশের সাথে সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৪ জন মাওবাদী নিহত হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এই ১৪ জনের মধ্যে দুই মহিলা মাওবাদী ছিল বলে জানা যাচ্ছে, যারা সোমবার অপারেশনে নিহত হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর৷
সবথেকে বড় সাফল্য হল, এই অভিযানে এমন এক মাওবাদীও প্রাণ হারিয়েছে, যার মাথার দাম ধার্য্য করা হয়েছিল ১ কোটি। ফলে এই এনকাউন্টারকে বড় সাফল্য বলে মনে করছে ছত্তিশগড় পুলিশ। মাওবাদীদের হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও মনে করছে প্রশাসন।

একই অপারেশন চলাকালীন এনকাউন্টারে দুই মহিলা মাওবাদী নিহত হয়েছে বলেই জানা যাচ্ছে। একই সাথে এক কোবরা জওয়ানও আহত হয়েছে। সোমবার গভীর রাতে এবং মঙ্গলবার ভোরে ছত্তিশগড়-ওড়িশা সীমান্তের ময়নপুর থানার অন্তর্গত একটি জঙ্গলে এই এনকাউন্টারটি হয়। পুলিশ ও মাওবাদীদের মধ্যে চরম সংঘর্ষ হয়। গত রাতে ২ জন এবং আজ ভোরে ১২ জন মাওবাদী নিহত হয় বলে জানা যাচ্ছে।
এক আধিকারিকের কথায়, ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড (ডিআরজি), সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (সিআরপিএফ), ছত্তিশগড়ের কোবরা এবং ওড়িশার স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ (এসওজি) এই অভিযানে একসাথে কাজ করেছে বলেই জানা যাচ্ছে।
ওড়িশার নুয়াপাদা জেলার সীমান্ত থেকে মাত্র ৫ কিলোমিটার দূরে ছত্তিশগড়ের কুলারিঘাট সংরক্ষিত বনাঞ্চলে মাওবাদীদের উপস্থিতি সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ১৯ জানুয়ারি রাতে অভিযান শুরু করা হয়। সেই অভিযান প্রথমে হাল্কা হলেও ২০ তারিখ রাত থেকে তা চরম আকার নেয়। আর সেই সংঘর্ষেই ১৪ জন মাওবাদী নিকেশ হয়। নিহত মাওবাদীদের কাছ থেকে একটি স্ব-লোডিং রাইফেল সহ প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ এবং আইইডি উদ্ধার করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications