সুপ্রিম কোর্টের রায়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস, মহারাষ্ট্রের ১২ বিজেপি বিধায়কের সাসপেনশন বাতিল
মহারাষ্ট্রের ১২ বিজেপি বিধায়কের সাসপেনশন বাতিল
মহারাষ্ট্রের বিজেপি বিধায়কের ১২ জনের অনির্দিষ্টকালের জন্য সাসপেনশন খারিজ করা হল এমনই রায় দিলেন সুপ্রিম কোর্ট। আর এতে বেশ চাপে পড়ল মহারাষ্ট্রের শিবসেনা সরকার। শিবসেনা গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে বারবার অনৈতিক ব্যবহারের অভিযোগ এনে সরব হয়েছেন।

শীর্ষ আদালত কী জানালেন
শীর্ষ আদালত এই সানপেনশনকে অসাংবিধানিক ও স্বেচ্ছাচারী বলে মন্তব্য করেছেন।
২০২১ সালের জুলাই মাসের বাদল অধিবেশনে মহারাষ্ট্র বিধানসভার স্পিকার ইনচেয়ার ভাস্কর যাদব কক্ষে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুলে ১২ জন বিজেপি বিধায়ককে ১ বছরের জন্য সাসপেন্ড করেছেন।

ভাস্কর যাদব বলেন
ভাস্কর যাদব জানান, অধিনেশন শেষ হওয়ার পর এই ১২ জন বিধায়ক আমার কেবিনে গিয়েছিলেন। তাঁরা আমাকে বিরোধী দল নেতা দেবেন্দ্র ফড়নবিশ ও বিজেপি নেতা চন্দ্রকান্ত পাতিলের অসংলগ্ন ব্যবহার করেন। সঙ্গে অনেক খারাপ মন্তব্যও করেন।

দেবেন্দ্র ফড়নবিশ অভিযোগ অস্বীকার করেন
ঘটনায় বিরোধী দল নেতা দেবেন্দ্র ফড়নবিশ অভিযোগটিকে মিথ্যা বলে অভিহিত করেছিলেন। বলেছিলেন যে, মিঃ যাদবের ঘটনাটি একতরফা বিচার করছেন। আমরা সরকারের স্থানীয় সংখ্যা গুলিতে ওবিসির মিথ্যাকে উন্মোচন করেছি।

পিটিশন দাখিল করা হয়েছিল
বিচারপতি এএম খানউইলকরের নেতৃত্বে গঠিত ৩ বিচারপতির বেঞ্চ , ১৯ জানুয়ারি তাঁদের স্থগিতাদেশকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। যেখানে বিজেপি বিধায়কদের একটি পিটিশন দাখিল করা হয়েছিল।

সাসপেন্ড হওয়া বিধায়কদের নাম
সাসপেন্ড হওয়া বিজেপি বিধায়কদের ছিলেন সঞ্জয় কুটে, অতুল ভাটকালকার, পরাগ আলাবনি, আশিস শেলার, অভিমন্যু পাওয়ার, গিরিশ মহাজন, হরিশ পিম্পলে, রাম সাতপুতে, বিজয় কুমার রাওয়াল, যোগেশ সাগর, নারায়ণ কুচে ও কীর্তিকুমার বাংদিয়া।
উল্লেখ্য, গত বছর ৫ জুলাই বিজেপির ১২ বিধায়কদের সাসপেনশন শুরু হয়েছিল। যার জন্য বিশেষ রেজলিউশনও পাশ করানো হয়েছিল মহারাষ্ট্র বিধানসভা থেকে। শীর্ষ আদালত আগের সপ্তাহতেই এই সাসপেনশনের উপরে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল।
বিধায়কের হয়ে লড়েছেন বিশিষ্ট আইনজীবী মুকুল রোহাতগি। তিনি জানিয়েছেন, কোন প্রশ্ন না করেই বিধায়কদের ওপর শাস্তি চাপিয়ে দেওয়া এটাতে পরিষ্কার যে, বিধানসভা একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications