পাঁচ দিনে ১২ বার কাঁপল কাশ্মীর উপত্যকা, কোন সঙ্কেত দিচ্ছে কম্পন?

ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) অনুসারে, রিখটার স্কেলে ৩.৪ পরিমাপের একটি ছোট ভূমিকম্প শনিবার (২৭ অগাস্ট) জম্মু ও কাশ্মীরকে আঘাত হেনেছে, গত পাঁচ দিনে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে আঘাত হানার কম্পনের সংখ্যা বেড়ে ১২বার হ। এনসিএস জানিয়েছে, শনিবার ভোর ৪.৩২ মিনিটে ভূমিকম্পটি হয়েছিল ৩২.৮৭ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশে এবং ৭৫.৪৬ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।

ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল কোথায় ছিল ?

ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল কোথায় ছিল ?


ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল জম্মু বিভাগের ভাদেরওয়াহ শহর থেকে ২৬ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং এর গভীরতা ছিল পৃথিবীর ভূত্বকের ভিতরে ১০ কিলোমিটার গভীরে৷ গত পাঁচ দিনে, জম্মু বিভাগের রিয়াসি, উধমপুর, ডোডা, রামবান এবং কিশতওয়ার জেলায় কম্পনের খবর পাওয়া গেছে৷

সতর্ক করছে বিজ্ঞানীরা

সতর্ক করছে বিজ্ঞানীরা


কিছু স্থানীয় পৃথিবী বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন যে এই ছোট কম্পনগুলি অফুরন্তে একটি বড় ভূমিকম্পের আফটার শক হতে পারে।

কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা ?

কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা ?


বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যে এগুলি উপকারী ছিল কারণ এই ছোট ঘটনার মাধ্যমে পৃথিবীর অভ্যন্তরে বিল্ট-আপ চাপ নির্গত হয় যা একটি বড় ভূমিকম্পের ঘটনা এড়াতে পারে।

ভূ কম্পন

ভূ কম্পন


ভূ-অভ্যন্তরে শিলায় পীড়নের জন্য যে শক্তির সঞ্চয় ঘটে, সেই শক্তির হঠাৎ মুক্তি ঘটলে ভূ-পৃষ্ঠ ক্ষণিকের জন্য কেঁপে ওঠে এবং ভূ-ত্বকের কিছু অংশ আন্দোলিত হয়। এই রূপ আকস্মিক ও ক্ষণস্থায়ী কম্পনকে ভূমিকম্প বলে। কম্পন-তরঙ্গ থেকে যে শক্তির সৃষ্টি হয়, তা ভূমিকম্পের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। এই তরঙ্গ ভূ-গর্ভের কোনও নির্দিষ্ট অঞ্চলে উৎপন্ন হয় এবং উৎসস্থল থেকে চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে। ভূমিকম্প সাধারণত কয়েক সেকেণ্ড থেকে ১/২ মিনিট স্থায়ী হয়।তবে কিছু কিছু ভূমিকম্প ৮-১০ মিনিটও স্থায়ী হয়।মাঝে মাঝে কম্পন এত দুর্বল হয় যে, তা অনুভব করা যায় না। কিন্তু শক্তিশালী ও বিধ্বংসী ভূমিকম্পে ঘর-বাড়ি ও ধন-সম্পত্তির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং অসংখ্য প্রাণহানি ঘটে।

সাধারণ জ্ঞানে ভূমিকম্প শব্দটি দ্বারা যে কোন প্রকার ভূকম্পন জনিত ঘটনাকে বোঝায় - সেটা প্রাকৃতিক অথবা মনুষ্য সৃষ্ট যাই হোক না কেন। বেশিরভাগ ভূমিকম্পের কারণ হল ভূগর্ভে ফাটল ও স্তরচ্যুতি হওয়া কিন্তু সেটা অন্যান্য কারণ যেমন অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস, খনিতে বিষ্ফোরণ বা ভূগর্ভস্থ নিউক্লিয়ার গবেষণায় ঘটানো আণবিক পরীক্ষা থেকেও হতে পারে। ভূমিকম্পের প্রাথমিক ফাটলকে বলে ফোকাস বা হাইপোসেন্টার। এপিসেন্টার হল হাইপোসেন্টার বরাবর মাটির উপরিস্থ জায়গা।

ভূমিকম্পের ফলাফল ভূমিকম্পের ফলে পৃথিবীতে বহু পরিবর্তন ও ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়। ভূমিকম্পের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ফল সম্বন্ধে নিচে আলোচনা করা হলো। ভূমিকম্পের ফলে ভূত্বকে অসংখ্য ফাটল এবং চ্যুতির সৃষ্টি হয়। কখনো সমুদ্রতলের অনেক স্থান উপরে ভেসে ওঠে। আবার কখনো স্থলভাগের অনেক স্থান সমুদ্রতলে ডুবে যায়। অনেক সময় নদীর গতি পরিবর্তিত বা বন্ধ হয়ে যায়। ভূমিকম্পের ঝাকুনিতে পর্বতগাত্র থেকে বৃহৎ বরফখণ্ড হঠাৎ নিচে পতিত হয় এবং পর্বতের পাদদেশে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে। ভূমিকম্পের ধাক্কায় সমুদ্রের পানি তীর থেকে নিচে নেমে যায় এবং পরক্ষণেই ভীষণ গর্জন সহকারে ১৫-২০ মিটার উঁচু হয়ে ঢেউয়ের আকারে উপকূলে এসে আছড়ে পড়ে। এ ধরনের জলোচ্ছ্বাসকে সুনামি বলে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+