উত্তরাখণ্ডের বারহোতি সেক্টরে ফের দৈনিক আগ্রাসন, LAC পার করে ফেলেছে শতাধিক চিনা সেনা
উত্তরাখণ্ডের বারহোতি সেক্টরে ফের দৈনিক আগ্রাসন, LAC পার করে ফেলেছে শতাধিক চিনা সেনা
ফের চিনা বাহিনীর চোখরাঙানি। এবার উত্তরাখণ্ডের বারহোতি সীমান্ত দিয়ে প্রায় শতাধিক চিনা বাহিনী অনুপ্রবেশ করল বলে সূত্রের খবর। উত্তরাখণ্ডের বারহোতি সীমান্তের প্রহরায় রয়েছে ইন্দো-টিবেটিয়ান বর্ডার ফোর্স। যদিও এখনও চিনা বাহিনীর অনুপ্রবেশের কোনও অফিসিয়ার খবর এসে পৌঁছয়নি। ৩০ অগাস্ট নাকি অনুপ্রবেশ ঘটেছে বলে খবর।

লাদাখ সংকটের পর থেকে এলএসির উপর কড়া নজর রেখে চলেছে ভারতীয় সেনা। প্রায় সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার সীমান্ত জুড়ে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় চিনা বাহিনীর সঙ্গে ভারতীয় সেনার সংঘর্ষের ঘটনার পর থেকেই ভারতের সঙ্গে সীমান্ত অনুপ্রবেশ নিয়ে চিনের প্রবল বিরোধ তৈরি হয়েছে। ১২ দফার বৈঠকের পরেও মেটেনি সেই সংকট। এল এসি নিয়ে তারপর থেকেই অতিমাত্রায় তৎপর ভারতীয় সেনা। দুই দেশই নজর দিয়েছে সীমান্ত প্রহরায়। লাদাখে এলএসসি বরাবর প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার সেনা মজুত রাখা হয়েছে। চিনও একই ভাবে অতিরিক্ত নজর রেখে চলেছে লাদাখ সীমান্তের উপর। বেজিংও লাদাখের সীমান্ত প্রহরায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার বাহিনী মোতায়েন করেছে।
কিন্তু উত্তরাখণ্ড সীমান্তে বিপুল সংখ্যক সেনাবাহিনীর অনুপ্রবেশের ঘটনা এই প্রথম। এর আগে চিনা বাহিনী কখনও উত্তরাখণ্ড সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করেনি। খবররে সত্যতা এখনও যাচাই করা হয়নি। এই নিয়ে টানাপোড়েন চলছে। উত্তরাখণ্ড সীমান্তে বাড়তি নজরদারি চালানো হচ্ছে। আজই ভারতের সেনা প্রধান জেনারেল নারাভানে জানিয়েছেন চিনের সঙ্গে সীমান্ত চুক্তি পোক্ত করা উচিত। তার অন্যতম কারণ তালিবান শাসিত আফগানিস্তানের সঙ্গে চিনের ঘনিষ্ঠতা। আফগানিস্তান তালিবানদের দখলে যাওয়ার পর থেকেই সেই দেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছে বেজিং। চিনই প্রথম আফগানিস্তানে তালিবান শাসনের স্বীকৃতি িদয়েছিল। তারপর থেকেই চীনের সঙ্গে সীমান্ত নিয়ে সিঁদুরে মেঘ দেখছে ভারত। সেনা প্রধানের সেই বক্তব্যের পরেই উত্তরাখণ্ড সীমান্তে চিনা বাহিনীর অনুপ্রবেশের খবরে জল্পনা বেড়েছে।












Click it and Unblock the Notifications