দুপুর ২টোয় লোকসভায় সংরক্ষণ সংশোধনী বিল! ভোটের গিমিক, কটাক্ষ কংগ্রেসের
আজই লোকসভায় পেশ হতে চলেছে সংরক্ষণ সংশোধনী বিল।
আজই দুপুর দুটোয় লোকসভায় পেশ হতে চলেছে সংরক্ষণ সংশোধনী বিল। নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন সরকার কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশিকা এবং চাকরি উচ্চবর্ণের কিন্তু আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়েদের জন্য সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভার বৈঠকে পেশ করেছেন। এই প্রস্তাব চালু হলে পণ্ডিত, জাঠ, গুর্জর, মারাঠারা সংরক্ষণের সুবিধা পাবেন। সবমিলিয়ে ১৯ কোটি মানুষ এই সংরক্ষণের আওতায় আসবেন।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় সংরক্ষণ প্রস্তাব পাশ হয়ে যাওয়ার পর তা সংবিধান সংশোধনী হিসেবে সংসদে পেশ করা হবে মঙ্গলবার। সংবিধান সংশোধনী বিলে
সংসদের উভয় কক্ষেই দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাধিক্যে পাশ করাতে হয়, আইনে পরিণত করতে গেলে।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন লোকসভা নির্বাচনের একেবারে সামনে এসে এনডিএ সরকার সংরক্ষণ নিয়ে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে তাদের সমর্থনের ভিত্তি অটুট রাখতে চায়। সাম্প্রতিক মাসগুলিতে সমর্থনের ভিত্তি কিছুটা টলে গিয়েছে। মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় এবং রাজস্থানে বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছে বিজেপি।
এই সংরক্ষণের জন্য যেসব শর্ত রাখা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে পারিবারিক আয় হতে হবে ৮ লক্ষ টাকার নিচে। জমি থাকতে হবে ৫ একরের নিচে। বাড়ি হতে হবে ১০০০ স্কোয়ার ফুটের কম।
কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্ত উচ্চবর্ণের মধ্যে মারাঠা, জাঠ, গুর্জররা উপকৃত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে। উত্তর ও মধ্যভারতে এঁরাই সংখ্যাধিক্য। বর্তমানে তফশিলি জাতি, তফশিলি উপজাতি এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির মানুষেরা যথাক্রমে ১৫%, ৭.৫% এবং ২৭% সংরক্ষণের সুবিধা পেয়ে থাকেন। সবমিলিয়ে এই সংরক্ষণ ৪৯.৫%।
তবে তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যে বেশি সংরক্ষণের নজির রয়েছে। সেখানে ৬৯% সংরক্ষণের সুযোগ রয়েছে।
কংগ্রেস মুখপত্র অভিষেক মনু সিংভির প্রশ্ন, ক্ষমতায় থাকার চারবছর আটমাস সময়ে কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। নির্বাচনী গিমিক বলেও কটাক্ষ করেছে তারা।












Click it and Unblock the Notifications