ইপিএফ-এ ১০% দিলে আপনার বেতন ২ শতাংশ নাও বাড়তে পারে, জেনে নিন একনজরে
সরকার ঘোষণা করেছে কর্মী এবং নিয়োগকর্তা বর্তমান পরিস্থিতিতে ইপিএফ-এ ১০ শতাংশ করে টাকা দেবে। যা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে কর্মীদের মধ্যে।
সরকার ঘোষণা করেছে কর্মী এবং নিয়োগকর্তা বর্তমান পরিস্থিতিতে ইপিএফ-এ ১০ শতাংশ করে টাকা দেবে। যা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে কর্মীদের মধ্যে। এই সিদ্ধান্তে কি এমপ্লয়ি পেনশন স্কিমে কোনও প্রভাব পড়বে, তাও পরিষ্কার নয় কর্মীদের কাছে। তবে তা নিয়ে উত্তর দিয়েছে ইপিএফও।

প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী
বর্তমান সিদ্ধান্তের জেরে কর্মীদের ইপিএস স্কিমে কোনও প্রভাব পড়বে না। এই স্কিমে নিয়োগকর্তা ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বেতন ভুকদের ৮.৩৩% হারে টাকা দিতে বাধ্য থাকবেন। ১০% করে নিয়োগকর্তা ও কর্মীর যে টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে তা শুধু মাত্র মে, জুন, জুলাই মাসের জন্য কার্যকরী সব বেসরকারি ক্ষেত্রের জন্য। তবে নিয়োগকর্তা এবং কর্মী, যদি দুপক্ষই চান তাহলে ১২% করে টাকা তাঁরা জমা দিতে পারবেন। যদি কোনও সংস্থা ৮.৩৩% টাকা ইপিএস-এ দেন, তাহলে ১০%-এর মধ্যে বাকি ১.৬৭% টাকা ইপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে।

কর্মীদের কাছে আলাদা কিছু নয়, বাড়তি টাকার জন্য বাড়তি কর
সরকারি সিদ্ধান্তের ফলে কর্মীদের হাতে বেশি টাকা আসতেই পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে তা জরুরি বলে মনে হতে পারে। কিন্তু কর্মীদের কাছে বিষয়টি আলাদা কিছু নয়। কেননা কর্মীদের ট্যক্সের স্ল্যাব অনুযায়ী আয়কর দিতে হবে। বাড়তি ২% তাঁর আয়ের সঙ্গেই যুক্ত হবে। বর্তমানে যা 80C-র অধীনে ছাড় পেয়ে থাকেন কর্মীরা।

কাজের চাপ বাড়বে নিয়োগকর্তার ওপরেও
সরকারের দেওয়া নতুন সুযোগ নিতে গেলে নিয়োগকর্তার প্রশাসনিক কাজও বেড়ে যাবে পরের মাস থেকে। কেননা, নিয়োগকর্তাকে প্রত্যেক কর্মীর কাছে যেতে হবে, তাঁগের অনুমিত আদায় করতে হবে।

ভবিষ্যতের কথা মনে রাখতে হবে কর্মীদের
কর্মীদের মনে রাখতে হবে, ইপিএফের এই টাকাই তাঁদের ভবিষ্যতের সঞ্চয়। তাই তাঁদের উচিত হবে না, কম টাকা সেখানে রাখা। কেননা হিসেব করে দেখতে গেলে সরকারি সিদ্ধান্তে ৩ মাসের জন্য তাদের ২ শতাংশ ইপিএফ-এ কম দিলেও, বেতন বাড়বে মাত্র ১ শতাংশের মতো।












Click it and Unblock the Notifications