বছর পড়তেই ভারতে করোনা আক্রান্ত পৌঁছতে পারে প্রায় দেড় কোটিতে, বলছে আইআইটি গবেষণা
বছর পড়তেই ভারতে করোনা আক্রান্ত পৌঁছতে পারে প্রায় দেড় কোটিতে, বলছে আইআইটি গবেষণা
৮১ লক্ষের গণ্ডি পার করতে চলেছে ভারতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে দিল্লি, মহারাষ্ট্রের মতো একাধিক রাজ্য।এদিকে মারণ করোনার কবলে পড়ে গোটা দেশে শুক্রবার পর্যন্ত মারা গেছেন প্রায় ১ লক্ষ ২১ হজারের বেশি মানুষ। এমতাবস্থায় ভারতের করোনা মানচিত্র সম্পর্কে আরও আশঙ্কার কথা শোনাতে দেখা গেল আইআইটি কানপুরে।

জানুয়ারির মধ্যেই প্রায় দেড় কোটি করোনা সংক্রমণ
একাধিক গাণিতিক মাপকাঠিকে সামনে রেখেই আসন্ন মাসগুলিতে ভারতে করোনা স্রোত কোন দিকে যেতে পারে সেই বিষয়ে সদ্য একটি রিপোর্ট পেশ করেছে আইআইটি কানপুরের গবেষকেরা। কানপুর আইআইটি-র গাণিতিক গবেষণায় প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে ২০২১ সালের জানুয়ারির মধ্যে ভারতে মোট করোনা আক্রান্তে সংখ্যা ১ কোটি ৪৫ লক্ষের সীমারেখা পার করে যাবে। এদিকে শীতের মরসুমে উৎসব আবহে করোনার বাড়বাড়ন্ত নিয়ে আগেই আশঙ্কাবাণী শুনিয়েছিল কেন্দ্র।

নতুন করে জাঁকিয়ে বসছে করোনা আতঙ্ক
এমতাবস্থায় কানপুরের করোনা গবেষণা যে নতুন করে দেশবাসীর মনে আতঙ্কের সঞ্চার করবে তা বলাই বাহুল্য। এদিকে বিশ্বে প্রথম করোনা সংক্রমণের পর কেটে গেছে প্রায় ১০ মাসের বেশি সময়। কিন্তু আজও দেখা নেই কোনও কার্যকরী করোনা ভ্যাকসিনের। তবে ডিসেম্বরের মধ্যেই প্রথম করোনা টিকার দেখা পেতে পারে ভারত। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রাথমিক ভাবে টিকা প্রদানেপ ক্ষেত্রে আগামী বচৎের মার্চকে লক্ষ্য করে এগনো হলেও বর্তমানে টিকা প্রস্তুতকারক সংস্থা সিরাম ইন্সটিটিউট বলছে মার্চের মধ্যে প্রথমসারির করোনা যোদ্ধাদের জন্য মিলতে পারে বহু প্রতীক্ষিত ভ্যাকসিন।

কী বলছেন কানাপুরের গবেষকেরা?
এদিকে ভারতের করোনা সংক্রান্ত গবেষণা করার পূর্ব বিগত কয়েকমাসে ফ্রান্স, স্পেন, ইতালি, সুইজারল্যান্ড, তুরস্ক, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম এবং জার্মানির করোনা সংক্রমণের উত্থান-পতেনর উপরেও বিশদে পর্যায়লোচনা করেন গবেষকেরা। তারপরেই পরেই মারণ ভাইরাসের গতিবিধির উপর বিশদে চর্চা ও গাণিতিক বিশ্লেষণ করার পর জানুয়ারির পর্যন্ত ভারতে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৮০ হাজারের ঘরে ঘোরাফেরা করবে বলে জানাচ্ছেন আইআইটি কানপুরের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক মহেন্দ্র কুমার ভার্মা।

৩৮ কোটি মানুষের মধ্যেই দেখা যাবে হার্ড ইমিউনিটি
এদিকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অধিদফতরের (ডিএসটি) ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী ২০২১ সালের মধ্যে করোনা সংস্পর্শে থাকতে থাকতে প্রায় ৩৮ কোটি মানুষের মধ্যেই হার্ড ইমিউনিটি তৈরি হয়ে যাবে। তার মধ্যে একটা বড় অংশ করোনার কবলে পড়ার ফলে তাদের শরীরে আবার করোনা প্রতিরোধী অ্যান্টিবডিও তারি হয়ে যাবে। অন্যদিকে সরাসরি করোনার সংস্পর্শে না এলেও করোনা ছোঁয়াছে তাকর জন্যও এই বিশালাকার মানুষের মধ্যে প্রাকৃতিক ভাবে অ্যান্টিবডির জন্ম হবে বলে মনে করছেন অনেক গবেষক।
{quiz_408}












Click it and Unblock the Notifications