জগদ্ধাত্রী পুজো দেখতে যাবেন? দেখে নিন এই রুট ম্যাপ
জগদ্ধাত্রী পূজো মানেই বাঙালির হৃদয়ে দুটি শহরের নাম প্রথমেই মাথাচাড়া দেয়, এক কৃষ্ণনগর, দুই চন্দননগর।সাথে যে বিতর্ক উঠে আসে -কোথাকার পূজো প্রাচীনতর - কৃষ্ণনগরের নাকি চন্দননগরের!
তবে দুটি শহরের পূজোর মধ্যে মৌলিক কিছু পার্থক্য রয়েছে, সেটা জেনে নেওয়া দরকার। প্রথমত,চন্দননগরে পূজো হয় চারটে দিন ধরে,সেখানে কৃষ্ণনগরে পূজো কেবল একদিনের। তবে ঐ একদিনের পূজার্চনার মধ্যেই ষষ্ঠী,সপ্তমী,অষ্টমী,নবমীর পূজো নিবেদিত।
অনেকের প্রশ্ন - কৃষ্ণচন্দ্র রাজাই কি বাংলায় জগদ্ধাত্রী পূজোর প্রবর্তক? উত্তর না। বিভিন্ন প্রাচীন পুঁথি অনুযায়ী, কৃষ্ণচন্দ্র রাজার বহু পূর্ব থেকেই এই পূজো বাংলায় প্রচলিত ছিল। দিগনগরের রাঘবেশ্বর শিবমন্দিরের দেওয়ালে জগদ্ধাত্রী মূর্তি উৎকীর্ণ,যা রাঘব রায়ের ( কৃষ্ণচন্দ্রের পূর্বপুরুষ) সমসাময়িক। তবে একথা মনে রাখতে হবে, কৃষ্ণচন্দ্রর হাত ধরেই এই পূজো এক বিস্মৃতি অধ্যায় অতিক্রম করে,গোটা বাংলায় এক নবরূপ লাভ করে। পাশাপাশি একথা বলতেও কোনো দ্বিধা নেই যে, কৃষ্ণচন্দ্রই ছিলেন একদিনের জগদ্ধাত্রী পূজোর প্রথম প্রবর্তক।
কৃষ্ণনাগরিকদের কাছে একটি স্বপ্নকাহিনী বহুল চর্চিত । দেখা যাচ্ছে,বকেয়া রাজস্ব জমা দিতে ব্যর্থ হলে, কৃষ্ণচন্দ্রকে নবাবের কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়। মুক্তি পেলে জানতে পারেন রাজরাজেশ্বরীর ( রাজবাড়ীর দুর্গা ) পূজো শেষ। এই সংবাদে ভীষণ মানসিকভাবে ব্যথিত হয়ে পড়েন,পরে স্বপ্নে তিনি দেখতে পান,এক মাতৃ শক্তি কার্তিক মাসের শুক্লা নবমীতে তাকে পূজোর নির্দেশ দেন। এই কাহিনীটির ঐতিহাসিক সত্যতা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক থাকলেও, কৃষ্ণনাগরিকরা একে মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে। 'বিশ্বাসে মেলায় বস্তু,তর্কে বহু দূর '।
কৃষ্ণনগরে এই পূজোর জনপ্রিয়তার মূলে ছিল রাজবাড়ীর আন্তরিক উদ্যোগ, আনুকূল্য। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন পেশার মানুষদের নিয়ে গড়ে ওঠা প্রায় প্রতিটি পাড়ায় (যেমন - চকেরপাড়া,চাষাপাড়া,বাঘাডাঙ্গা প্রভৃতি ) এই পূজো সেই প্রথম থেকে চলে আসছে।এক্ষেত্রে মালোপাড়ার কথা বিশেষ উল্লেখ্য। প্রথমদিকে এই পূজো আয়োজন সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভব ছিল না।মালোরা মূলত মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের মানুষ। এদের পূজোয় রাজবাড়ীর তরফ থেকে বিশেষ আর্থিক সহযোগিতা করা হত। আজকের দিনেও সেই ঐতিহ্য চলছে।
যারা চন্দননগর আসতে চাইছেন জগদ্ধাত্রী ঠাকুর দেখার জন্য তাদের জন্য মোটামুটি একটা রুট ম্যাপ...
এটা ফলো করতে পারেন.
মহাপঞ্চমী : ২৯শে অক্টোবর
মহাষষ্ঠী: ৩০শে অক্টোবর
মহাসপ্তমী: ৩১শে অক্টোবর
মহাঅষ্টমী: ১লা নভেম্বর
মহানবমী: ২রা নভেম্বর
বিজয়া দশমী: ৩ নভেম্বর

চন্দননগর জগদ্ধাত্রী পূজা রুট গাইড
মানকুন্ডু স্টেশনে নেমে স্টেশন রোড ধরে সোজা জ্যোতির মোড় পর্যন্ত আসুন, দেখুন -
মানকুন্ডুস্পোর্টিং ক্লাব
পোস্টঅফিস গলি
নতুনপাড়া
নিয়োগীবাগান
চারাবাগানবালক সংঘ
সার্কাস মাঠ

জ্যোতির মোড় থেকে ডান দিকে ভদ্রেশ্বরের দিকে জি.টি. রোড ধরে যান, দেখুন-
তেমাথা ছুতোর পাড়া
বারাসত দক্ষিণ চন্দননগর
অরবিন্দ সংঘ
বারাসত ব্যানার্জি পাড়া
বারাসত চক্রবর্তী পাড়া
বারাসত গেট

এইবার জ্যোতি সিনেমা হল থেকে তেমাথা শিবমন্দির দেখে পুনরায় G.T.Road এ ফিরে এসে G.T. Road বরাবর চন্দননগরের দিকে এগোলে দেখবেন ঃ-
লিচুতলা
সাবিনাড়া
কপালিপাড়া সাহেববাগান
ডুপ্লেক্সেপট্টি
হালদারপাড়া ষষ্ঠীতলা
আদি হালদারপাড়া
রথেরসড়ক
পাদ্রিপাড়া কালীতলা
পাদ্রিপাড়া
লালবাগান পাদ্রিপাড়া
লালবাগান চক
বড়বাজার
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত












Click it and Unblock the Notifications