বিজেপির ওয়ার্কিং প্রেসিডেন্টের মতো কাজ করছেন! রাজ্যপালকে তীব্র আক্রমণ রাজ্যের মন্ত্রীর
রাজ্যপাল বিজেপির হয়ে কাজ করছেন। যেমন দলের ওয়ার্কিং প্রেসিডেন্ট করে থাকেন। ওনাকে রাজ্যপাল পদে না রেখে বিজেপির কোনও পদে আনা উচিত। হাওড়ায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে একথা বলেন তৃণমূল নেতা রাজ্যের সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায়।
রাজ্যপাল বিজেপির হয়ে কাজ করছেন। যেমন দলের ওয়ার্কিং প্রেসিডেন্ট করে থাকেন। ওনাকে রাজ্যপাল পদে না রেখে বিজেপির কোনও পদে আনা উচিত। হাওড়ায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে একথা বলেন তৃণমূল নেতা রাজ্যের সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায়। পাশাপাশি বিজেপি প্রসঙ্গেও কড়া মন্তব্য করেন তিনি।

এদিন অরূপ রায় আরও বলেন, "বিজেপি জনগণের রায়ে হেরে গিয়েছে। তারপরেও ওরা সিবিআই দেখিয়ে ইডি দেখিয়ে শক্তি প্রদর্শন করছে। প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে এরকম করা হচ্ছে। এরকম বেশিদিন চলবে না। দেশের লোক বেশি দিন তা সহ্য করবে না।
এখন এই পরিস্থিতিতে যেখানে মানুষকে অক্সিজেন দিতে হবে, হাসপাতালে পরিকাঠামো উন্নত করতে হবে, সকলকে ভ্যাকসিন দিতে হবে এসব না করে সিবিআইকে আমাদের পিছনে লাগিয়ে দিয়েছে। এটা ঠিক নয়। দেশের মানুষ এটা সহ্য করবে না। পরবর্তী নির্বাচনে এরা তা বুঝে যাবে।"
অন্যদিকে রাজ্যপাল 'রক্ত শোষক' প্রাণীতে পরিণত হয়েছেন। গত কয়েকদিন আগে তীব্র আক্রমণ করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। নারদ মামলায় তৃণমূলের তিন নেতা-মন্ত্রীর গ্রেফতারি ঘিরে ফের রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত। তৃণমূলের তিন নেতা-মন্ত্রীর গ্রেফতারির পর তৈরি হওয়া বিশৃঙ্খলার ঘটনায় ট্যুইটারে সরব হলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। "রাজ্যে নৈরাজ্য চলছে", বলে তিনি ট্যুইট করেন।
পাল্টা রাজ্যপালকে বিঁধে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, রাজ্যপাল 'রক্ত শোষক'(ব্লাড সাকার) প্রাণীতে পরিণত হয়েছেন। অন্যদিকে একাধিক ইস্যুতে বারবার রাজভবন-নবান্ন সংঘাত তৈরি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা সহ একাধিক ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
কথায় কথায় টুইট করেছেন। রাজ্য প্রশাসনের কাজ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।কিন্তু কখনও সরাসরি সংঘাতের পথে হাঁটেনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সে পথেই হাঁটতে চলেছেন তিনি। এতদিন তৃণমূলের তরফে বারবার ধনখড়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল।
এমনকি রাজ্যপালের কাছেও অভিযোগ জানানো হয়। কিন্তু এবার খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যপালের বিরুদ্ধে কড়া পথে হাঁটতে চলেছেন। রাজ্যপাল পদে জগদীপ ধনখড়ের অপসারণ চেয়ে এবার সরাসরি রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিতে চলেছেন তিনি। জানা যাচ্ছে।
সমস্ত মাত্র ছাড়িয়ে যাচ্ছে। আর সে কারণে এবার কড়া চিঠি দিতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিতে চলেছেন মমতা।












Click it and Unblock the Notifications