বিশ্বকাপের ইতিহাসে কতটা উজ্জ্বল সেনেগালের ইতিহাস, জেনে নিন
২০০২ সালের পর ফের বিশ্বকাপের মূল পর্বে নিজেদের জায়গা করে নিয়েছে সেনেগাল। পশ্চিম আফ্রিকার এই ছোট্ট দেশটি নিজেদের সীমিত ক্ষমতার মধ্যেই ফের সুযোগ করে নিয়েছ বিশ্বকাপের মূল পর্বে।
২০০২ সালে কোরিয়া-জাপান বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল পশ্চিম আফ্রিকার দেশ সেনেগাল। সেই বিশ্বকাপ তারা জায়গা করে নিয়েছিল কোয়ার্টার ফাইনালে। কিন্তু সীমিত ক্ষমতাকে সঙ্গী করে এর বেশি আর বিশ্বকাপে এগোতে পারেনি তারা।

২০০২ এর পর দ্বিতীয়বার ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার সুযোগ পেয়েছে সেনেগাল। ২০০২ বিশ্বকাপে মোট পাঁচটা ম্যাচ খেলেছিল সেনেগাল। পাঁচ ম্যাচে তারা জয় পেয়েছিল দু'টি ম্যাচে, হেরে ছিল দু'টি ম্যাচে। ড্র হয়েছিল একটি ম্যাচ। সেনেগাল গোল করেছিল সাতটি, তাদের গোল হজম করতে হয়েছিল ছয়টি।
গত বারের তুলনায় এই বারে সেনেগাল দলে শুধু খেলোয়াড়েরই বদল আসেনি, বদল এসেছে বিভিন্ন দিক দিয়ে। এই বারের বিশ্বকাপে সেনেগালের দলে যে ফুটবলাররা সুযোগ পেয়েছেন তাঁদের অধিকংশেরই বয়স ২৬ থেকে ২৮ এর মধ্যে। এমনিতেই আফ্রিকার দলগুলি শক্তির নীরিখে অন্যন্য দলগুলির তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে থাকে।

আর দলে অধিকাংশ তরুণ ফুটবলার থাকায় এই সুবিধা আরও বেশি করে পাবে সেনেগাল।ট
পাশাপাশি এই সেনেগালের একাধিক ফুটবলার খেলেন বিশ্বের সেরা ক্লাবগুলিতে। ফ্রান্স, ইতালি বা ইংল্যান্ড প্রতিটি দেশের লিগেই সেনেগালের ফুটবলাররা খেলেন।
পাশাপাশি বিভিন্ন লিগে খেলার ফলে এই দলের অভিজ্ঞতার ভান্ডারও নেহাত কম নয়। বিভিন্ন স্টাইলের ফুটবলের সঙ্গেই পরিচিত তারা। ইউরোপীয় দেশগুলিতে খেলায়, সেখানকার খেলার ধরনও জানা এই দলটার। ফলে সেই সুবিধা পাবে সেনেগাল। এছাড়া এই দলের মূল কান্ডারী সাদিও মানে। মানে ঝলসে উঠলে লেয়নডস্কির পোল্যান্ডের কপালেও দুঃখ থাকতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications