আইএসএলের কলকাতা ডার্বি নিয়ে অনিশ্চয়তা, পুজোর ছুটিতে এএফসি কাপের ম্যাচেও সম্মতি দিল না রাজ্য
আইএসএলে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট ও ইস্টবেঙ্গল দ্বৈরথ রাখা হয়েছে অক্টোবরের ২৮ তারিখ। সেদিন আবার ইডেনে রয়েছে বিশ্বকাপের ম্যাচ। যা কিনা কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর ঠিক আগের দিন।
শহরের দুই প্রান্তে দুটি বড় ইভেন্ট কীভাবে আয়োজন করা যাবে তা নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়। এবার রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তে অনিশ্চয়তা তৈরি হলো আইএসএলের প্রথম কলকাতা ডার্বি নিয়েই।

আজ নব মহাকরণে ক্রীড়া ও যুবকল্যাণমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস বলেন, রাজ্য সরকারের পুজোর ছুটি পড়ছে ১৮ অক্টোবর থেকে। ফলে যে দিনগুলিতে ম্যাচগুলি রয়েছে তা কোনওভাবেই আয়োজন করা সম্ভব নয়। কারণ, দফতরের আধিকারিকদের ভূমিকা থাকে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তাঁদেরও পরিবার রয়েছে। ফলে পুজোর ছুটিতে তাঁদের ডেকে পাঠিয়ে ম্যাচ করানো যাবে না।
উল্লেখ্য, আইএসএলে ২১ অক্টোবর কলকাতায় ইস্টবেঙ্গল বনাম এফসি গোয়া ম্যাচ রয়েছে। ২৪ অক্টোবর এএফসি কাপে মোহনবাগান বনাম বসুন্ধরা কিংস ম্যাচ রয়েছে। তারপর ২৮ তারিখের ডার্বি। অরূপ বিশ্বাস বলেন, ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের তরফে ওই ম্যাচগুলি বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে করার জন্য আবেদন করেছিল। আমরা বলেছি সম্ভব নয়।

আইএসএলে কলকাতা ডার্বির সময় দেওয়া হয়েছে রাত ৮টা। এরও বিরোধিতা করেছেন অরূপ বিশ্বাস। আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্তকে পাশে বসিয়ে তিনি বলেন, অত রাতে কীভাবে খেলে দেখে মানুষ ফিরবেন। সম্প্রচারকারী সংস্থার পছন্দকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু ফুটবলার, ফুটবলপ্রেমীদের কথা ভাবা হচ্ছে না। মানুষকে ফুটবলবিমুখ করার চেষ্টা চলছে।
এশিয়ান গেমসে ভারতীয় দলে রহিম আলি ছাড়া বাংলার আর কোনও ফুটবলারকে রাখা হয়নি। এতেও ক্ষুব্ধ ক্রীড়ামন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রীতম কোটাল, শুভাশিস বোসের মতো ফুটবলারদেরও এশিয়ান গেমসে রাখা হয়নি। তাঁরা এই মুহূর্তে দেশের সেরা ফুটবলারদের অন্যতম। এশিয়ান গেমসে ভারত সোনা জিতলে ফুটবলের সামগ্রিক বিকাশ ঘটতো। কিন্তু কারা খেলে সোনা জেতাবেন?
এআইএফএফের কাজকর্মেও অসন্তোষ ব্যক্ত করেছেন অরূপ। তাঁর কথায়, এশিয়ান গেমস কখন হবে তা তো আগেই জানা ছিল। সেইমতো প্রস্তুতি নেওয়া উচিত ছিল ফেডারেশনের। এআইএফএফ আদৌ টুর্নামেন্টের ক্যালেন্ডার সামনে রেখে পরিকল্পনা করে কিনা তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন অরূপ।












Click it and Unblock the Notifications