সুপার কাপ হবেই ঘোষণা বিরক্ত কুশল দাসের, তবু প্রশ্ন থাকছেই
ভারতীয় ফুটবলে ধোঁয়াশা থেকেই দেখা যায় আলোর কিরণ। এবার সেই ধোঁয়াশায় ঢুকে রয়েছে সুপার কাপ, ধোঁয়াশায় ভারতের ফুটবল সমর্থকরাও।
সুপার কাপ নিয়ে জারি হওয়া একের পর এক বিতর্কে রীতিমতো বিরক্ত এআইএফএফ সিইও সুনন্দ ধর। তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন এ মরশুমেই হবে সুপার কাপ।

সুপার কাপ নিয়ে জোর আলোচনা চলছেই। আইএসএল এবং আই লিগের সেরা দলদের নিয়ে এই টুর্নামেন্ট ঘিরে বিতর্কের আর শেষ নেই। এআইএফএফ শুধু আশাবাদীই নয়, নিশ্চিতও যে এই বছর হবে সুপার কাপ। কুশল দাস জানিয়েছেন সুপার কাপ হচ্ছেই। এ মাসের ৮-৯ তারিখ এই টুর্নামেন্টের রূপরেখা নিয়ে ফাইনাল বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও এখন সুব্রত দত্ত না থাকায় সেই বৈঠকের তারিখ পিছিয়ে হয়েছে ফেব্রুয়ারির ১২ -১৩ তারিখ হয়েছে।
এদিকে টুর্নামেন্টের রূপরেখা এখনও স্পষ্টভাবে তৈরি হয়নি তা জানিয়েছেন সুনন্দ ধর। আসলে এখনও স্থির করা যায়নি ১২ দলে না ১৬ দলের টুর্নামেন্ট করা হবে। যদি ১২ দলের টুর্নামেন্ট হয় সেক্ষেত্রে আই লিগের সেরা চার দল ও আইএসএলের সেরা চার দল সরাসরি খেলার সুযোগ পাবে। বাকি চারটি দল আইএসএল ও আইলিগের পিছনে থাকা দলগগুলির মধ্যে ম্যাচ খেলে যোগ্যতা অর্জন করবে। আর যদি ১৬ দলের টুর্নামেন্ট হয় সেক্ষেত্রে আইএসএল ও আই লিগের ছটি করে দল খেলবে। আর বাকি দুটি করে দল দুটি টুর্নামেন্টে নিজেদের মধ্যে লড়াই করে খেলবে।
এআইএফএফ জানিয়েছে সুপার হবে প্রধানত অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ খেলা ভ্যেনুগুলিতে। সেক্ষেত্রে কোচি , কলকাতা,গোয়া -য় খেলা হবে। তবে কলকাতায় যদি আইপিএলের ম্যাচ হয় সেক্ষেত্রে একইসঙ্গে দু জায়গায় নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব হবে না কলকাতা পুলিশের। এদিকে শুধু ভ্যেনু সংক্রান্ত সমস্যা আছে তাই নয়, মার্চের প্রথম সপ্তাহ অবধি আই লিগ চলবে। তার পরেই যদি এআইএফএফ এই টুর্নামেন্ট খেলে তাহলে সমস্যা হবে না। কিন্তু সেটা যদি পিছিয়ে এপ্রিল হয়, তাহলে কিন্তু আবার সম্প্রচার সংক্রান্ত একটা বড় একটা সমস্যা তৈরি হবে। তাই ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে এআইএফএফের বৈঠকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তারপরেই একটা পরিষ্কার রূপরেখা পাওয়া যাবে এই মেগা ভেঞ্চার নিয়ে।












Click it and Unblock the Notifications