Pele: বিশ্বকাপে কেমন ছিল পেলের সফর, দেখে নিন ১৯৫৮, ১৯৭০-এ কী ভাবে ব্রাজিলকে পরিচালিত করেছিলেন ও রেই
Pele: বিশ্বকাপে কেমন ছিল পেলের সফর, দেখে নিন ১৯৫৮, ১৯৭০-এ কী ভাবে ব্রাজিলকে পরিচালিত করেছিলেন ও রেই
সব সময়েই ফুটবলের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিরাজ করবেন পেলে। অগুনিত খেতাব এবং পদক জয়ের পাশাপাশি ব্রাজিল দল এবং বিশ্বকাপের সঙ্গে নিজের নাম সমার্থক করে তুলেছিলেন পেলে। এতটাই ও রেই নিজেকে ব্রাজিল দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ করে নিয়েছেন যে আজকের দিনেও তাঁকে ছাড়া ব্রাজিল এবং তার ফুটবল ইতিহাস কল্পনা করা যায় না।

বিশ্বকাপে পেলে:
নিজের ফুটবল কেরিয়ারে মোট ৪টি বিশ্বকাপে (১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৬৬ এবং ১৯৭০) অংশ নেন পেলে এবং তার মধ্যে তিনটি বিশ্বকাপ জেতেন তিনি। এই তিনটি বিশ্বকাপ জয়ের ফলে সর্বাধিক বিশ্বকাপ জয়ী ফুটবলারের শিরোপা অর্জন করেন পেলে যা আজও অটুট। ১৯৬২ সালে চোটের কারণে ঠিক মতো খেলতে পারেননি পেলে কিন্তু ১৯৫৮ এবং ১৯৭০ বিশ্বকাপ ব্রাজিল জিতেছে পেলের কারণেই। এই দুই সংস্করণে ব্রাজিলের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র ছিলেন পেলে।

ব্রাজিলের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ে পেলের অবদান অনস্বীকার্য:
১৯৫৮ সালে প্রথম বার বিশ্বকাপ জেতে ব্রাজিল। লাতিন আমেরিকার দলটির প্রথম বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল ১৭ বছরের তরুন পেলের। ১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপে সেমিফাইনালেcফ্রান্সের বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক করেন পেলে এবং ফাইনালে সুইডেনের বিরুদ্ধে জোড়া গোল করেন তিনি। এই বিশ্বকাপে সিলভার বল জেতেন পেলে।

১৯৬২ বিশ্বকাপ জয়ের পদক ২০০৭ সালে পান পেলে:
১৯৬২ সালে বিশ্বকাপে মাত্র দুইটি ম্যাচে খেলতে পেরেছিলেন পেলে। চেকস্লোভাকিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচে চোট পেয়ে ছিটকে যাওয়ার আগে একটি গোলও করেছিলেন তিনি। ২০০৭ সালের আগে পর্যন্ত তাঁকে বিজয়ীর পদক দেয়নি ফিফা। সেই সময়ে এই বিজয়ীর পদক দেওয়া হতো সেই ১১ জন ফুটবলারকে যারা বিশ্বকাপ ফাইনালে অংশগ্রহণ করতেন। তৎকালীন ফিফা সভাপতি শেফ ব্লাটার সিদ্ধান্ত নেন ১৯৩০ থেকে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত যেই সকল ফুটবলাররা বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য কিন্তু ফাইনালে খেলেননি তাঁদের পদক দেওয়া হবে। ব্লাটারের এই সিদ্ধান্তের পরই ২০০৭ সালে পদক পান পেলে।

১৯৭০ বিশ্বকাপে পেলে:
১৯৭০ বিশ্বকাপে ৩০ বছর বয়সী পেলের উপরই নির্ভর করছিল ব্রাজিলের ভাগ্য। ১৯৬৬ সালে প্রথম রাউন্ড থেকে ছিটকে গিয়েছিল ব্রাজিল। বদলার অপেক্ষায় ছিলেন পেলে। চার বছর পর সেই সুযোগ পেয়ে যান। এই বিশ্বকাপে মোট চারটি গোল করেন পেলে। এই বিশ্বকাপের সময়ে ফর্মের চূড়ায় ছিলেন পেলে। উরুগুয়ের বিরুদ্ধে কোনও গোল না করলেও যে ফুটবলটা পেলে খেলেছিলেন তা বিশ্বকাপের ইতিহাসে অন্যতম সেরা হয়ে রয়েছে এখনও। মেক্সিকোয়ে আয়োজিত এই বিশ্বকাপের ফাইনালে ব্রাজিল ৪-১ ব্যবধানে পরাজিত করে ইতালিকে। ১৯ মিনিট ব্রাজিলের হয়ে ফাইনালের প্রথম গোলটি করেন ও রেই এবং দুইটি গোলের ঠিকানা লেখা পাস বাড়ান পেলে।












Click it and Unblock the Notifications