সাদাকালো বধ সবুজমেরুনের, মিনি ডার্বি জিতে চাঙ্গা মোহনবাগান
কলকাতা লিগে জমজমাট মোহনবাগান বনাম মহমেডান ম্যাচ। ২-১ গোলে ম্যাচ জিতল শঙ্করলাল চক্রবর্তীর ছেলেরা।
ডার্বির আগে মিনি ডার্বি জিতে নিল মোহনবাগান। কল্যাণীতে সাদাকালো শিবিরকে ২-১ গোলে হারাল সবুজমেরুণ শিবির। জোড়া গোলে ম্যাচের নায়ক আজহাড্ডাহাড্ডি ম্যাচে শেষ মুহূর্তের গোলে ম্যাচ পকেটে পুড়ে নিল তারা।

এদিনের ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণ শানায় মোহনবাগান ও মহমেডান। কলকাতা লিগ জয়ের ক্ষেত্রে এই ম্যাচ জয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ লিগের অন্যতম দাবিদার ইস্টবেঙ্গল যেখানে সবকটি ম্যাচ জিতেছে, সেখানে মহমেডান ইতিমধ্যেই একটি ম্যাচ হেরেছে। অন্যদিকে মোহনবাগানও একটি ম্যাচ ড্র করে পয়েন্ট খুইয়েছে। এদিন প্রথমে গোল করে সাদাকালো শিবিরকে এগিয়ে দেন শেখ ফৈয়াজ। ম্যাচের ২৬ মিনিটে গোল করে সাদাকালো শিবিরকে এগিয়ে দেন তিনি। এক গোলে পিছিয়ে যাওয়ার পর আক্রমণের ঝাঁঝ আরও বাড়ায় মোহনবাগান। ৩৭ মিনিটে গোল করে সমতা ফেরায় আজহারউদ্দিন মল্লিক। ১-১ গোলে শেষ হয় প্রথমার্ধের খেলা।

দুটি দলই এ মরশুমে অনেকগুলি করে গোল করেছেন। এদিনের ম্যাচের আগে অবধি মোহনবাগান- মহমেডান দু' দলেরই গোলের সংখ্যা ছিল ১৭। মোহনবাগানের হয়ে বিদেশিরা ১১টি গোল করেছিলেন অন্যদিকে স্বদেশিরা করেছিলেন ৬ টি গোল। পাশাপাশি মহমেডানের হয়ে গোল করেছিলেন ১১টি স্বদেশিরা ও ৬টি বিদেশিরা। তবে এদিন বাগান জার্সিতে কামাল করে গেছেন বাগানের দেশীয় ফুটবলাররা।
কামো- ক্রোমা জুটিতে বারবার আক্রমণ শানালেও তাঁদের মার্ক করে রেখেছিল মহমেডান ফুটবলাররা। বক্সে আক্রমণ নিয়ে ঢুকলেই তাঁদের ঘিরে ধরছিলেন সাদাকালো ডিফেন্ডাররা। এদিকে ম্যাচে পরিবর্ত হিসেবে নামা চেস্টার পল লিংডো মোহনবাগান জার্সিতে মাঠে নামার পর বাগান আক্রমণের ধার আরও বাড়ে। দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইমে, চেস্টারপল লিংডো ও আজহারউদ্দিন মল্লিকের যৌথ প্রয়াসে জয়সূচক গোল পেয়ে যায় মোহনবাগান। চেস্টারপল লিংডোর ক্রস মাথা ছুঁয়ে মহমেডান গোলে পাঠিয়ে দেন আজহারউদ্দিন মল্লিক।
এদিনের জয়ের ফলে ডার্বির আগে আরও একটু চাঙ্গা হয়ে উঠল মোহনবাগান। একটা ম্যাচ ড্র করায় ইস্টবেঙ্গলের থেকে খানিকটা পিছিয়ে পড়েছে মোহনবাগান। মিনি ডার্বিতে যদি মোহনবাগান পয়েন্ট খোয়াত তাহলে লিগ জয়ের ক্ষেত্রে আরও একটু বিপাকে পড়ত শঙ্করলাল চক্রবর্তীর ছেলেরা।












Click it and Unblock the Notifications