চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লেন চোখ ভরা জল নিয়ে, বিশ্বকাপে আর দেখা যাবে তো নেইমারকে
চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লেন চোখ ভরা জল নিয়ে, বিশ্বকাপে আর দেখা যাবে তো নেইমারকে
ব্রাজিল জিতল বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে। কিন্তু স্বস্তি এল না তবু। নেইমারের চোটে কাবু ব্রাজিল। যন্ত্রণায় নেইমার চোখের জল কি ব্রাজিলকে ভাসিয়ে নিয়ে যাবে বিশ্বকাপে, সেই আশঙ্কা বিশ্বের ফুটবলপ্রেমীদের। সবার মনেই প্রশ্ন, বিশ্বকাপে বাকি ম্যাচগুলিতে দেখা যাবে তো নেইমারকে।

ব্রাজিলের অগণতি ভক্ত ছড়িয়ে রয়েছে গোটা ফুটবল বিশ্বে। নেইমারের চোট আর যন্ত্রণায় কাতরাতে দেখে তাঁরা আতঙ্কিত। এবার কি তবে তাঁদের প্রিয় ফুটবলারকে ছিটকে যেতে হবে বিশ্বকাপ থেকে। যদিও ব্রাজিল কোচের মন্তব্যে তাঁরা আশ্বস্ত হয়েছেন। নেইমারকে পরের ম্যাচেই তাঁরা মাঠে দেখতে পাবেন বলে জানিয়ে দিয়েছেন কোচ তিতে।
বৃহস্পতিবার এবারের বিশ্বকাপ প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেছিল ব্রাজিল। সার্বিয়াকে এই ম্যাচে ২-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করে তারা। নেইমার গোল করতে পারেননি এই ম্যাচে। কিন্তু আক্রমণে সক্রিয় ছিলেন তিনি। কিন্তু নেইমারের চোট আশঙ্কার বাতাবরণ তৈরি করেছে সমর্থকরা। ব্রাজিল কোচ তিতে যদিও আত্মবিশ্বাসী।
সার্বিয়ার নিকোলা মিলেনকোভিচের ট্যাকেলে ৮০ মিনিটের মাথায় চোট পান নেইমার। সেই চোটের জেরে নেইমারকে মাঠ ছাড়তে হয়। তখন থেকেই আশঙ্কার কালো মেঘ জমতে শুরু করে। তারপর তাঁকে রিজার্ভ বেঞ্চে বসে পায়ে বরফ দিতে দেখা যায়। নেইমারের চোটের অংশ বিশাল ফুলে রয়েছে বলেও দেখা যায়। টিভি কমেন্ট্রিতে তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশও করা হয়।
নেইমার গোড়ালিতে চোট পাওয়ার পরই যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিলেন। এমনকী ব্রাজিল ফুটবল দলের অধিনায়ককে বেঞ্চে বসে মুখ ঢেকে কাঁদতেও দেখা যায়। তবে কোচ তিতে সাফ জানিয়ে দেন, নেইমারকে পরের ম্যাচে মাঠে নামানোর ব্যাপারে আমরা আত্মবিশ্বাসী। বিশ্বকাপে খেলতে দেখা যাবে ওঁকে। নেইমারেকর মানসিক জোরও রয়েছে, সে চোট সারিয়ে অবিলম্বে মাঠে নামার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নেইমারের চোট রয়েছে গোলাড়িতে। হাঁটুতেও চোট রয়েছে। তাঁর চিকিৎসা করা হয়েছে। তিনি ঠিক আছেন। বেঞ্চেই তাঁর চিকিৎসা করা হয়েছে। ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই বোঝা যাবে তাঁর চোট কতটা। এমআরআই করা হবে কি না সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে শুক্রবার।
ব্রাজিলের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে তাদের আক্রমণভাগ যথেষ্ট শক্তিশালী। নেইমার ছাড়াও রয়েছেন রিচার্লিসন, ভিনিসিয়াস ও রাফিনহা। এদিন রিচার্লিসন সমর্থকদের মন জয় করে নেন। তাঁর দ্বিতীয় গোলে মুগ্ধ করে দেয় সমর্থকদের। নেইমার মাঠ ছাড়ার আগেই ব্রাজিল ২ গোলে লিড নিয়েছিল। সেই ফলেই ম্যাচ জেতে।












Click it and Unblock the Notifications