Neymar Jr: পেলের রেকর্ড ভাঙলেন নেইমার, বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে বড় জয় ব্রাজিলের
প্রায় ৯ মাস পরে জাতীয় দলের জার্সিতে প্রত্যাবর্তন করলেন নেইমার। মাঠে ফিরেই রেকর্ড গড়লেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। কিংবদন্তি পেলের রেকর্ড ভেঙে ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করে নিলেন নেইমার। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বের ম্যাচে বলিভিয়াকে ৫-১ গোলে হারিয়ে দিয়ে যাত্রা শুরু করল পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
বিশ্বকাপের পর আবার জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে নামলেন নেইমার। মাঝের সময়টা চোট আর দলবদলের ঝড়ঝাপ্টা গেছে তাঁর কেরিয়ারে। তবে মাঠে ফিরেই আবার আগের মেজাজে ধরা দিলেন নেইমার। ফেব্রুয়ারি মাসের পর আজ প্রথম কোনও অফিসিয়াল ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন ব্রাজিলের তারকা ফুটবলার। দলকে দুর্দান্তভাবে জিততে সাহায্য করেছেন আল হিলালের নতুন তারকা।

ম্যাচের শুরুতেই গোলের সুযোগ এসেছিল নেইমারের সামনে। সেই সুযোগটি কাজে লাগাতে পারেননি নেইমার। পেনাল্টিতে তাঁর দুর্বল শট সহজেই আটকে দেন বলিভিয়া গোলরক্ষক ভিসকারা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে জোড়া গোল করে ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসের সর্বোচ্চ স্কোরার হয়ে গিয়েছেন নেইমার। ম্যাচের ৬১ মিনিটে এবং অতিরিক্ত সংযুক্ত সময়ে দুটি দুর্দান্ত ফিনিশ করে তার আন্তর্জাতিক গোল সংখ্যা দাঁড়ালো ৭৯।
নেইমার ছাড়াও জোড়া গোল করেন রদ্রিগো। অন্য গোলটি রাফিনহার।ম্যাচের ২৪ মিনিটেই গোল করে দলকে এগিয়ে দেন রদ্রিগো। ৪৭ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান রাফিনহা। ৫৩ মিনিটে আবারও রদ্রিগোর গোল। চার গোলে পিছিয়ে পড়া বলিভিয়া সান্ত্বনার একটি গোল পায় ৭৮ মিনিটে।বলিভিয়া বলতে গেলে এদিন পাত্তাই পায়নি। ম্যাচে ৮০ শতাংশ বলের দখল ছিল ব্রাজিলের। গোলে ২১টি শট নেয় তারা, যার মধ্যে ১১টি ছিল লক্ষ্যে। নেইমার-রিচার্লিশনরা সহজ কিছু মিস না করলে ব্যবধান হতে পারত আরও বড়।

কাতার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার কাছে টাইব্রেকারে হেরে বিদায় নিয়েছিল পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। বিশ্বকাপ শেষে ব্রাজিল তিনটি প্রীতি ম্যাচ খেললেও, সেই তিন ম্যাচে চোটের কারণে খেলতে পারেননি নেইমার। নেইমারবিহীন সেই তিন ম্যাচে দুটিতেই হেরেছিল ব্রাজিল। চোট কাটিয়ে ফিরেই দলের জয়ে বড় অবদান রাখলেন নেইমার।

অন্য দিকে উরুগুয়ের শুরুটাও হয়েছে জয়ে। চিলিকে ঘরের মাঠে তারা ৩-১ গোলে হারিয়েছে।লাতিন আমেরিকা মহাদেশ মহাদেশ থেকে দশটি দল অংশ নিচ্ছে বাছাইপর্বে। প্রতিটি দল খেলবে ১৮টি করে ম্যাচ। শীর্ষ ৬টি দল সরাসরি জায়গা করে নেবে ২০২৬ বিশ্বকাপে। সপ্তম দলটিকে আন্তঃমহাদেশীয় প্লে অফ খেলতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications