জয়ের ধারা অব্যাহত, লড়াই করে রেলকে বেলাইন করল মোহনবাগান
শুক্রবার রক্ষণাত্মক রেলওয়ে এফসি -র বিরুদ্ধে গোল পেতে বেগ পেতে হল মোহনবাগান দলকে।
দশজনে খেলা রেলওয়ে এফসি -র বিরুদ্ধে প্রথম গোল পেতে নাকানিচোবানি খেতে হল মোহনবাগানকে। এদিন তিন গোল দিয়ে জিতলেও এদিন প্রথম গোল পেতেই শঙ্করলাল চক্রবর্তীর ছেলেদের বেগ পেতে হয়।

শুক্রবার ঘরের মাঠে প্রথমার্ধে উদ্দেশ্যহীণ ফুটবল খেলে মোহনবাগান। অনেকবার চেষ্টা করেও গোলের মুখ খুলতে পারেননি কামো-ক্রোমারা। তবে প্রথমার্ধের শেষে লাল কার্ড দেখেন রেলওয়ে এফসি-র অমিত সামন্ত।

তবে দশ জন হওয়া রেলওয়কে বেলাইন করতে প্রায় ম্যাচের ৬৩ মিনিট অবধি অপেক্ষা করতে হয়। রেলের গোলরক্ষক রানা চক্রবর্তী লিংডোর দূরপাল্লার শট আটকাতে ব্যর্থ হন। লিংডোর নৈপুণ্যে সবুজমেরুণ স্কোরলাইনের পাশে ১-০ গোল লেখা হয়। লিংডোর গোল যেন মোহনবাগানকে ছন্দে ফিরিয়ে দেয়। বারাবর আক্রমণ শানিয়ে রেলের বিরুদ্ধে ম্যাচে ফিরে আসেন শঙ্করলাল চক্রবর্তীর ছেলেরা। এরপর বাগানের স্কোরলাইনে দু 'নম্বর গোলটি লিখে দেন কামো বায়ি। প্রথম ম্যাচে সাদার্নের বিরুদ্ধে ক্রোমা গোল পেলেও কামো গোল পাননি। এদিন যেন সেই খিদে মিটিয়ে নিলেন তিনি। প্রায় মাঝমাঠের একটু ওপর থেকে একক প্রচেষ্টায় বল নিয়ে উঠে গোল করেন কামো। ম্যাচের ৯১ মিনিটে ফের গোল। এবার গোলদাতা বাগানের পরিবর্ত হয়ে নামা শিল্টন ডি সিলভা-র। প্রথম ম্যাচেও পরিবর্ত হিসেবে নেমে গোল করেছিলেন শিল্টন ডি সিলভা। এদিনও গোলের সুযোগসন্ধানী কোনও ভুল করেননি কামোর ফ্রিকিক হেডে রেলওয়ে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন তিনি।
তবে ম্যাচ জিতলেও প্রথম গোল খুঁজে পেতে মোহনবাগানকে যেরকমভাবে পরিশ্রম করতে হল তাতে নতুন করে চিন্তাভাবনা করতে হবে বাগান কোচ শঙ্করলাল চক্রবর্তীকে












Click it and Unblock the Notifications