Mohun Bagan Super Giant: ডুরান্ডে ৩ ম্যাচে ৩৩ ফুটবলার! সোমবার থেকে শুরু এএফসির প্রস্তুতি ফেরান্দোর দলের
প্রাথমিকভাবে ডুরান্ড কাপে যুব দল খেলানোর সিদ্ধান্ত নিলেও, টুর্নামেন্ট শুরু হতেই ভোলবদল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। প্রথম ম্যাচে যুব দলের ফুটবলারদের আধিক্য থাকলেও দ্বিতীয় ম্যাচে অর্থ্যাত পাঞ্জাব এফসির বিরুদ্ধেই একাধি্ক সিনিয়র ফুটবলারকে ৯০ মিনিটে ব্যবহার করা হয়। এমনকি বাস্তব রায় নয় কোচের ভূমিকায় থাকেন জুয়ান ফেরান্দো।
মর্যাদার ডার্বিতে যুব ফুটবলারদের প্রমোট করার তত্ব উধাও। জেসন কামিংস থেকে অনিরুদ্ধ থাপা কিনবা সাহাল আব্দুল সামাদের মতো সব তাসকেই ব্যবহার করেন কোচ জুয়ান ফেরান্দো। কিন্ত পূর্ণ শক্তির দল নামিয়েও সাড়ে বছর পর হারের মুখ দেখতে হয়েছে সবুজ মেরুনকে। ডুরান্ডে আরও একটি নজির তৈরি করেছে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট।

ডুরান্ড কাপে তিন ম্যাচের জন্য ৩৩ জন ফুটবলারকে রেজিস্ট্রেশন করিয়েছে সবুজ মেরুন শিবির। সাধারণ এআইএফএফ অনুমোদিত টুর্নামেন্টে সর্বাধিক ৩০ জন ফুটবলারকে রেজিস্ট্রেশন করানো যায়। কিন্তু মোহনবাগান প্রথম দিকে কলকাতা লিগের দলের ফুটবলারদেরই ডুরান্ড কাপের জন্য নাম নথিভুক্ত করে। কিন্তু ডার্বির আগে বেশ কয়েকজন যুব ফুটবলারদের নাম বাতিল করে সেই জায়গায় অর্ন্তভুক্ত করানো হয় একঝাঁক সিনিয়র ফুটবলারদের।
প্রাথমিকভাবে জেসন কামিংস এবং সাদিকুকে ডুরান্ড কাপে খেলানোর পরিকল্পনা ছিল না মোহমবাগান টিম ম্যানেজমেন্টের। কিন্তু সমর্থকদের কাছে ডার্বির মহাত্ব্য ট্রফি জয়ের থেকেও বেশি। তাই বিশ্বকাপার, ইউরো কাপার সবাইকে নামি্য়ে দেওয়া হয়। প্রথম ম্যাচের নিরিখে দুই তারকাই অবশ্য মন ভরাতে পারলেন না।

প্রশ্ন উঠছে কাতার বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া দলে থাকা জেসন কামিংসকে নিয়ে। ম্যাচের ৫৫ মিনিটে নেমেছিলেন তিনি। প্রায় ৪০ মিনিট খেলার সময় পেয়েছেন। কিন্তু কিছুই করতে পারেননি। একবার একটা বা পায়ে গোল করার সহজ সুযোগ পেয়েও বাইরে মারেন। এমনকি তাঁর ফিটনেস নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন।
বড় ম্যাচের ব্যর্থতা ভুলে মোহনবাগানের মিশন এএফসি। বুধবার এএফসি কাপের ম্যাচে নেপালের ক্লাব মাচিন্দ্রা এফসির মুখোমুখি হচ্ছে সবুজ মেরুন শিবির। সোমবার থেকে এএফসি কাপের চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু করবে ফেরান্দোর দল।

কলকাতা লিগ, ডুরান্ড কাপ, এএফসি কাপ। পরপর ম্যাচ মোহনবাগানের। ফুটবলারদের ক্লান্তি ভাবাচ্ছে ফেরান্দোকে। এই নিয়ে বড় ম্যাচের পর বাগান কোচ বলেন," ভেবে দেখুন, দু'দিন পরেই আমাদের কলকাতা লিগে ম্যাচ। তার দু'দিন পরে এএফসি কাপ। তার পরেই আবার ডুরান্ড কাপের কোয়ার্টার ফাইনাল। এত গুলো ম্যাচে খেলানোর জন্যে ফুটবলার খুঁজে পাওয়াও মুশকিল।












Click it and Unblock the Notifications