নাটক শেষ হচ্ছে না ফেডারেশনের,কলকাতার দুই প্রধানের বাড়া ভাতে কী ছাই দিতে চাইছে আইএমজিআর
আসব আসব করেও কেন আসছে না চিঠি। কথা দিয়েও কলকাতার ক্লাবদের চিঠি পাঠাতে পারল না এআইএফএফ। তাহলে কী ফের পিছন থেকে কলকাঠি নাড়ছে আইএমজিআর।
আই লিগ বনাম আইএসএল দ্বৈরথে নাটকের আর শেষ নেই। এক অঙ্কের যবনিকা পড়ছে তো অন্য অঙ্কে অভিনয় শুরু। আসরে ফের নেমে পড়েছে আইএসএল আয়োজক আইএমজিআর। আর এতেই বদলে গেল চিত্রনাট্য।
শনিবার ফেডারেশন কর্তারা বিভিন্ন আই লিগ ক্লাবগুলির কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। তাতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ নামক একটি বকচ্ছপের ভাবনার জন্ম হয়। কথা হয় আই লিগের সেরা চার দল ও আইএসএলের সেরা চার দল নিয়ে হবে আরও একটি নতুন লিগ।যার সম্ভাব্য নামকরণ হয় চ্যাম্পিয়ন্স লিগ।

প্রস্তাব ছিল এই নতুন লিগের চ্যাম্পিয়ন দল খেলবে এএফসি-র চ্যাম্পিয়ন্স লিগে। অন্যদিকে রানার্স আপ দল খেলবে এএফসি কাপে। এরপরই স্থির হয় এক, দুই দিনের মধ্যে এই বৈঠকের প্রস্তাব চিঠির আকারে মোহন-ইস্টকে জানিয়ে দেওয়া হবে। এরই ভিত্তিতে সোমবার সন্ধ্যায় আইএফএ সচিব উৎপল গঙ্গোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বৈঠকে বসার কথা ছিল ইস্ট-মোহনের কর্মকর্তাদের।
তবে রবিবার তো নয়ই, সোমবারও সেই নির্ধারিত চিঠি আর এসে পৌঁছল না। ফলে নিষ্ফলা বৈঠক ছাড়া আর কীবা করতে পারতেন দুই প্রধানের কর্মকর্তারা। তবে এটুকু শুধু হিমশৈলের ওপর। এর তলায় রয়েছে চক্রান্তের পর চক্রান্ত। সোজা কথায় নতুন চ্যাম্পিয়ন্স লিগের হোম-অ্যাওয়ে ম্যাচে আদৌ আগ্রহ নেই আইএমজিআরের। তারা চায় সরাসরি এএফসি-র ছাড়পত্র। আর তাই ফের কাঠি নাড়া হয়ে গেছে।
আই লিগ হক বা আইএসএল এদের সম্পর্কে ফেডারেশন কোনও সিদ্ধান্ত নিলে তা এফএসডিএল কে দিয়ে পাস করাতে হয়। আর সেখানে আইএমজিআর প্রতিনিধিদের হাঁকডাক বেশি। ফলে ফের আটকে গেছে শনিবারের বৈঠকের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ভাবনা। ফেডারেশনের সাপও মরবে লাঠিও ভাঙবেনা মোটেই আস্থা নেই তাঁদের। ব্যাস যা হওয়ার ছিল তাই হয়েছে । দিল্লি থেকে কলকাতায় আর মেল আসতে পারছে না।
এদিকে দ্রুত চিঠি চেয়ে ফের এআইএফএফকে চিঠি দিয়েছেন আইএফএ সচিব উৎপল গঙ্গোপাধ্যায়। একইসঙ্গে মোহন-ইস্টও গোঁ ধরে রয়েছে আই লিগের চ্যাম্পিয়ন দলকেই দিতে হবে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার ছাড়পত্র। তবে এটা চিঠি এলে তবেই জানানো হবে। সব মিলিয়ে ভারতীয় ফুটবলের এ মরশুম নিয়ে অন্ধকার যে আরও গাঢ় হচ্ছে তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। এএফসি যতই নির্দেশ দিক শতাব্দী প্রাচীন ক্লাবদের স্বার্থরক্ষার এআইএফএফের শ্যাম রাখি না কুল রাখি নীতির সামনে তাও বিশেষ ধোপে টিকবে বলে মনে হয় না।












Click it and Unblock the Notifications