বাজাজের কড়া পদক্ষেপ, এআইএফএফ কী করে সেটাই দেখতে চাইছে ভারতীয় ফুটবল
মিনার্ভা পাঞ্জাব সুপার কাপের থেকে নাম তুলে নিলেন, এআইএফএফ নিতে পারে শক্ত পদক্ষেপ ।
আই লিগ চ্য়াম্পিয়ন দলকে দু দিন আগেই শুভেচ্ছা জানিয়েছিল এআইএফএফ। আর সেই সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থাই এবার খুশি নয় মিনার্ভার পদক্ষেপে। সুপার কাপের ক্রীড়াসূচি প্রকাশের পরই মিনার্ভা পাঞ্জাবের রাহুল বাজাজ জানিয়েছেন তাদের পক্ষে সুপার কাপ খেলা সম্ভব নয়।

সুপার কাপ না খেলার কারণ হিসেবে তিনি জানিয়েছিলেন আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হলেও সুপার কাপে একটি ম্যাচ হারলেই টুর্নামেন্টের বাইরে ছিটকে যাবেন তাঁরা। বাজাজের সাফ কথা এই ম্যাচ খেলার জন্য দু মাস দল ধরে রাখতে হবে। আর একটা মাত্র ম্যাচেই অভিযান শেষ হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা থাকায় সেই খরচ করা পোষাবে না। তিনি আরও জানিয়েছিলেন
পাশাপাশি টুর্নামেন্ট আয়োজনে কোনও খরচ করবে না এআইএফএফ। সমস্ত দলকে নিজের যোগ দেওয়ার টাকা যোগাড় করতে হবে। রঞ্জিত বাজাজ নিজের সোজা সাপ্টা কথায় জানিয়েছেন, যেভাবে আইএসএলের দলগুলি নিজেদের পাঁচ তারা হোটেলে রাখতে পারবে তিনি তাঁর দলকে সেই মানের সুবিধা দিতে পারবেন না। ফলে একই ম্যাচ খেললেও দু রকমের দল দু রকম পরিমন্ডল থেকে খেলতে আসবে।
এই একটা টুর্নামেন্টে যোগ দেওয়ার জন্য ৫০ লক্ষ টাকার মতো খরচ আছে। ফলে মিনার্ভার কর্ণধার জানিয়ে দিয়েছেন তাঁর পক্ষে এই টাকা যোগাড় করা সম্ভব নয়। বিস্ফোরক রঞ্জিত বাজাজ বলেছেন ওড়িশায় ওই সময় ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকবে তাপমাত্রা, যা খেলার জন্য একেবারেই আদর্শ নয়। সব মিলিয়ে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে বেশ বড় চাপে ফেলতে পেরেছে আই লিগ জয়ী নতুন দল।
ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে মূলপর্বের খেলা শুরু হচ্ছে ৩১শে মার্চ থেকে। ফাইনাল ২০শে এপ্রিল। এর আগে সুপার কাপ নিয়ে খুব খুশি ছিল না মোহনবাগান। তাঁরাও জানিয়েছিলেন প্রাথমিকভাবে সুপার কাপ হোম -অ্যাওয়ে ফর্মাটে থাকার কথা বলা হলেও পরবর্তী পর্যায়ে সেটার কারোর পরামর্শ ছাড়াই নকআউট করে দেওয়া হয়। তবে মোহনবাগান এরপর কী করবে সরকারিভাবে না জানালও মিনার্ভা একেবারে লিখিত জবাব দিয়ে দেয়।
এদিকে শুধু মুখে মিনার্ভার বোমা খেতে রাজি নন ফেডারেশন সচিব কুশল দাস। তিনিও দিয়েছেন পাল্টা। জানিয়েছেন আইলিগ ও ফেডারেশন কাপ ম্যাচের জন্য প্রত্যেক ক্লাবকে ৪৫ লক্ষ টাকা দেওয়া হত। এবার সেটা বাড়িয়ে সুপার কাপ ও আই লিগ দুটির জন্য ৭০ লক্ষ টাকার ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে। এই টাকা থেকে হোটেল সমস্যা মিটিয়ে দিতে পারা যাবে সেই বরাদ্দ টাকা থেকে।
এদিকে তাদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টিকে নিষ্পত্তির চেষ্টা করতে চাইছে ফেডারেশন। যদি তাতে না হয় তাই আগাম ভয়ও দেখিয়ে রেখেছে তারা, বলেই দিয়েছে সুপার কাপ না খেললে চরমতম শাস্তির রাস্তায় হেঁটে তাদের নির্বাসিতও করা হতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications