(ছবি) ইউরো ফাইনালের কিছু ঝলক ছবিতে!
প্যারিস, ১১ জুলাই : ইউরোর সেমিফাইনাল পর্ব শেষ হওয়ার পর থেকেই ফেভারিট ছিল ফ্রান্স। তবে বিপক্ষে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্দোর মতো দাপুটে খেলোয়াড় থাকতে ফ্রান্সের পক্ষে জোর দিয়ে গলা ফাটাতেও কোথাও একটা খচখচ করে। তারউপর দেশের হাতে ট্রফি তুলে না দেওয়ার গভীর ক্ষত নিয়ে যে রোনাল্দো মাঠে শিকারি বাঘের মতো নামবে তা কারও অজানা ছিল না।[অতিরিক্ত সময়ে এডারের গোলে ভর করে ইউরো ২০১৬-র চ্যাম্পিয়ন পর্তুগাল!]
কিন্তু খেলার ২৪ মিনিটের মাথাতেই কেমন যেন সব এলোমেলো হয়ে গেল। পায়েতের ট্যাকল সামলাতে গিয়ে হাঁটুতে চোট পেয়ে কাঁদতে কাঁদতেই মাছ ছাড়তে হল পর্তুগাল নায়ককে। মাঠে, টিভির সামনে বসা অধিকাংশ সমর্থকই প্রায় ধরে ফেলছিলেন যে তৃতীয়বারের জন্য চ্যাম্পিয়ন হতে চলেছে ফ্রান্সই।

দলের মহাতারকাহীন ম্যাচ ফিকেই হয়ে গিয়েছিল। ৯০ মিনিটে কোনও দল গোল করতে না পারায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। কিন্তু ১০৯ মিনিটের মাথায় হঠাৎ যেন ক্যামেরার ফ্ল্যাশ লাইট। মুহূর্তের মধ্যে পাল্টে গেলে মাঠের সব হিসাব নিকাশ, ফের কান্নায় ভেঙে পড়লেন রোনাল্দো। তবে এ কান্না দুঃখের নয়, প্রথমবার ইউরো ফাইনাল জেতার আনন্দের কান্না।
ফ্রান্সের আক্রমণের মাঝেও শেষমুহূর্তে গোলপোস্টের যাওয়ার ছোট্ট ফাঁক পেয়েছিলেন এডার। সে সুযোগ নষ্ট করেননি তিনি। দুরন্ত শটে ফটোফিনিশ সারলেন পর্তুগালের হয়ে। গোলকিপারের কিছুই করার ছিল না যে।
অন্যদিকে সিরিজ সর্বোচ্চ গোলদাতা গ্রিজম্যানকে তো সেভাবে চোখেই দেখা গেল না। যাও বা একবার সবজ হেড করার সুযোগ পেয়েছিলেন, তাও মারলেন বাইরে। হাতছাড়া হল ম্যাচটাও।












Click it and Unblock the Notifications