মার্টিনস গোলের দরজা খুলতেই বেলজিয়াম খুঁজে পেল জয়ের দিশা, পানামার লড়াই ব্যর্থ
এক আধ গোল নয়, গুনে গুনে তিন গোলে পানামার বিরুদ্ধে জয় পেল বেলজিয়াম। প্রথম ৪৫ মিনিটে বেলজিয়ার স্ট্রাইকাররা গোল না পেলেও, দ্বিতীয়ার্ধে গোলের দরজা খুলতেই সমস্ত লড়াই শেষ হয়ে গেল পানামার।
এক আধ গোল নয়, গুনে গুনে তিন গোলে পানামার বিরুদ্ধে জয় পেল বেলজিয়াম। প্রথম ৪৫ মিনিটে বেলজিয়ার স্ট্রাইকাররা গোল না পেলেও, দ্বিতীয়ার্ধে গোলের দরজা খুলতেই সমস্ত লড়াই শেষ হয়ে গেল পানামার। মার্টিনসের ৩০ গজী শট রানামার গোলে আশ্রয় নেওয়ার পরই আসল খেলাটা শুরু হল। প্রথমার্ধে যে বেলজিয়ামকে দেখা গিয়েছিল, দ্বিতীয়ার্ধে একেবারে ভিন্ন।

ওই একটি গোলের পথ ধরেই হ্যাজার্ড, লুকাকু ও ব্রুনেইয়ের ত্রিফলায় ফালাফালা হয়ে গেল পানামার ডিফেন্স। ৬৯ ও ৭৫ মিনিটে পরপর দুটি গোল করে নবাগত পানামার কফিনে শেষ পেরেকটা পুতে দিল বেলজিয়াম। মেসিরা আইসল্যান্ডের বিরুদ্ধে যেটা পারেনি, সেটাই করে দেখাল হ্যাজার্ড-লুকাকুরা।
বিশ্বকাপ অভিযানের শুরুতেই হ্যাজার্ডরা ছুটতে শুরু করলেন। নবাগত দল হলেও, পানামার ফুটবলাররা জায়গা ছাড়েনি বেলজিয়ামকে। টানা ১৯টি ম্যাচ জিতে বেলজিয়াম বিশ্বকাপের আসরে প্রবেশ করেছিল। গত দু-বছর যে অশ্বমেধের ঘোড়ার মতো ছুটছে বেলজিয়াম, এদিন বিশ্বকাপের আসরে তা প্রমাণ করে দেখালেন লুকাকুরা।
প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিটে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে সমানে সমানে লড়াই চালিয়ে যায় আফ্রিকার দেশটি। দু'বার তাদের গোলরক্ষক অবধারিত পতন রোধ করলেও, পানামাও পৌঁছে যায় গোলের কাছে। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ৪৭ মিনিটের মাথায় প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে রিভার্স অ্যাঙ্গেলে যে বল রাখলেন মার্টিনেস, তা বাঁচানো সম্ভব ছিল না পানামার গোলরক্ষক পেনেডোর পক্ষে।
৬৯ মিনিটের মাথায় ব্রুনেইয়ের ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে গোল তুলে নেন লুকাকু। আর ছ'মিনিটের মাথায় ফের গোল। এবার হ্যাজার্ডের দৌড় আর তারপরই বাড়ানো বল ধরে অসাধারণ ফিনিশ লুকাকুর। এই তিন গোলেই বিশ্বকাপের মঞ্চ জমিয়ে দিলেন হ্যাজার্ড-লুকাকুরা।












Click it and Unblock the Notifications