Exclusive: কিয়ানের উদ্দেশ্যে ইরান থেকে ভেসে এল বাদশাহী বার্তা

কিয়ানের উদ্দেশ্যে ইরান থেকে ভেসে এল বাদশাহি বার্তা

ভারতীয় ফুটবলে ইরানি যুগের বাদশা যদি হন মজিদ তা হলে তাঁর যোগ্য সেনাপতি ছিলেন জামশেদ। আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে এসে সিনিয়র খাবাজিকে সঙ্গী করে ভারতীয় ফুটবলে ইরানি যুগের সূচনা করেছিলেন 'বাদশা' মজিদ, সঙ্গী ছিলেন 'সেনাপতি' জামশেদ নাসিরি।

Exclusive: কিয়ানের উদ্দেশ্যে ইরান থেকে ভেসে এল বাদশাহি বার্তা

ভারতীয় ফুটবলে মজিদ-জামশেদের ইরানি যুগ স্বর্ণক্ষরে লেখা রয়েছে। ভারতীয় ফুটবলে খেলা যাওয়া সর্বকালের সেরা বিদেশি হিসেব পরিগনিত হল মজিদ। তাঁর এক সময়ের সতীর্থ জামশেদের ছেলে কিয়ান নাসিরির হাত ধরে ভারতীয় ফুটবল ফের ইরানি যুগের সূচনার গন্ধ পাচ্ছে।

ইরানি বংশদ্ভূত এই ফুটবলারের পারফরম্যান্সে স্বভাবতই উচ্ছ্বসিত ভারতীয় ফুটবলের বেতাজ বাদশা। রবিবার সকালে খুরামশায়ার থেকে এই প্রতিবেদকে ফোনের অপর প্রান্তে থাকা মজিদ বলেন, "হ্যাটট্রিক যে কোনও ম্যাচেই আনন্দ দায়ক কিন্তু সেই হ্যাটট্রিক যদি ডার্বিতে হয়, তা হলে তার গুরুত্ব অনেক বেড়ে যায়। এটা নিঃসন্দেহে ওর কেরিয়ারকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে। তবে, একটা ম্যাচ নয়, আধুনিক ফুটবলে সাফল্য পেতে প্রয়োজন ধারাবাহিকতা এবং নিয়মানুবর্তিতা। আমার তরফ থেকে অনেক শুভকামনা রইল। একই সঙ্গে শুভেচ্ছা জানাতে চাই জামশেদ এবং ওর পরিবারকেও। ভারতীয় ফুটবলের খুব একটা খবর রাখা হয়ে ওঠে না, নিজের কাজেই প্রচন্ড ব্যস্ত থাকি। তোমাদের থেকেই সব খবরা খবর পাই।"

কিয়ান হ্যাটট্রিক করেছেন শুনলেও সেই গোলের ভিডিও এখনও পাননি। এই প্রতিবেদকের উদ্দেশ্যে তাঁর বার্তা, "কিয়ানের গোলের ভিডিও এখনও আমি দেখিনি। তোমার কাছে থাকলে আমি পাঠিও। গোলগুলো কেমন হয়েছে তা দেখার জন্য আগ্রহী রয়েছি।"

বছর দুয়েক আগে কলকাতায় যখন এসেছিলেন তখন সিসিএফসি'তে কিয়ানের খেলা দেখেছিলেন মজিদ। সেই প্রসঙ্গও এ দিন উঠে আসে আলোচনার প্রেক্ষিতে। তিনি বলেন, "কলকাতায় এসে সিসিএফসি-তে যখন গিয়েছিলাম তখন ও মাঠে প্র্যাকটিস করছিল। সেদিনই ওর স্কিল দেখেছিলাম প্রথম। ভাল স্ট্রাইকার হয়ে ওঠার গুনাগুন রয়েছে ওর মধ্যে। নিজের বাবারই মতোই খেলে অনেকটা।"

বন্ধুর ছেলের এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত হলেও দোসর জামশেদের উপর কিছুটা যেন অভিমানী মজিদ। কলকাতা ময়দান তথা ভারতীয় ফুটবল কাঁপানো এই কিংবদন্তির কথায়, "জামশেদের সঙ্গে অনেক দিন কোনও কথা নেই। ভারতে যখন এসেছিলাম তখনই শেষ বার কথা হয়েছিল। ও আমার বন্ধু। নিশ্চয়ই ব্যাস্ত রয়েছে। "

ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষের অনুষ্ঠানে হাজির হতে লক্ষ হৃদয়ে হিন্দোল তুলে কলকাতায় পা রেখেছিলেন বাদশা মজিদ। তাঁকে এক ঝলক দেখতে পাওয়ার জন্য জন জোয়াড় নেমেছিল কলকাতার রাজপথে। এ যেন অনেকটা হ্যামলিনের বাঁশিওয়ালার মতো। যাকে না দেখলেও তাঁর সুরে মাইলের পথ মাইল হাঁটা যায়। বাঁশি হয়তো মজিদ বাজাতেন না কিন্তু তাঁর পায়ের শৈল্পিক টান আজও যেন অক্ষত লক্ষ হৃদয়ে। আজও মজিদ মানেই জাদুগর, যিনি নিজের কাঁধে একটা দলকে টেনে নিয়ে বেরাতেন। দীর্ঘ ত্রিশ বছর পর যখন কলকাতায় পা রাখেন তখন মাঝ রাত। বিমানবন্দরের বাইরে অপেক্ষারত হাজার হাজার সমর্থক। বাদশার শুধু এক ঝলক দেখা পাওয়ার জন্য হৃদয়গুলি আকুলি-বিকুলি করছিল। প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা আটকে থাকার পর পুলিশের ঘেরা টোপে বিমানবন্দরের বাইরে এসেছিলেন মজিদ।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+