জোড়া গোলে লেখা ছিল ম্যান অফ দ্য ম্যাচের নাম, পানামাকে ধ্বংসের নায়ক লুকাকু
দুই উইংয়ে হ্যাজার্ড আর ব্রুনেই। মাঝে লুকাকু। বল বাড়ালেই ক্ষিপ্র বাঘের মতো ঝাঁপিয়ে পড়বেন লুকাকু। ঠিক সেইভাবেই ব্রুনেইর ক্রসে মাথা ছুইঁয়ে দলের দ্বিতীয় ও নিজের তৃতীয় গোলটা করেছিলেন তিনি।
দুই উইংয়ে হ্যাজার্ড আর ব্রুনেই। মাঝে লুকাকু। বল বাড়ালেই ক্ষিপ্র বাঘের মতো ঝাঁপিয়ে পড়বেন লুকাকু। ঠিক সেইভাবেই ব্রুনেইর ক্রসে মাথা ছুইঁয়ে দলের দ্বিতীয় ও নিজের তৃতীয় গোলটা করেছিলেন তিনি। আর তার ঠিক ছ-মিনিটের মাথাতেই হ্যাজার্ডের বাড়ানো বল ধরে গোলকিপারের পাশ দিয়ে বল জড়িয়ে দিলেন জালে।

এই দুটি গোলেই নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল এদিনের ম্যান অফ দ্য ম্যাচ কার হাতে উঠছে। সেইমতোই লুকাকু প্রথম ম্যাচেই নায়ক হয়ে গেলেন। হ্যাজার্ড, ব্রুনেইকে টপকে সোচির স্টেডিয়ামে শোনা গেল একটাই রব- লু-কা-কু। সেই লুকাকু ম্যান অফ দ্য মাচ হয়ে দলকে জয়ের পথ দেখালেন।
তবে তাঁর এই গোলের পিছনে হ্যাজার্ড ও ব্রুনেইয়ের যেমন অবদান রয়েছে। অবদান রয়েছে মার্টিনেসেরও। কেননা পবেলজিয়াম যখন প্রথমার্ধে গোলের জন্য মাথা কুড়েছে, তখন দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোলের দরজা খুলে দিয়েছে মার্টিনসের ৩০ গজী শট।
তারপরই খেলা ঘুরে গিয়ে মাঠ জুড়ে শুধু হ্যাজার্ড, ব্রুনেই, লুকাকুদের দাপাদাপি। মার্টিনেসের গোলের পথ ধরেই হ্যাজার্ড, লুকাকু ও ব্রুনেইয়ের ত্রিফলায় ফালাফালা হয়ে গেল পানামার ডিফেন্স। ৬৯ ও ৭৫ মিনিটে পরপর দুটি গোল করে নবাগত পানামার কফিনে শেষ পেরেকটা পুতে দিলেন লুকাকু।
৬৯ মিনিটের মাথায় ব্রুনেইয়ের ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে গোল তুলে নেন লুকাকু। আর ছ'মিনিটের মাথায় ফের গোল। আবারও সেই লুকাকু। এবার হ্যাজার্ডের দৌড় আর তারপরই তাঁর বাড়ানো বল ধরে অসাধারণ ফিনিশ লুকাকুর। প্রথম ম্যাচেই জোড়া গোলে নায়ক বনে গেলেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications