একুশ মানেই নীল-সাদা! কোপায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে মেসি মেলালেন বাংলা ও বুয়েনাস এয়ার্সকে
একুশ মানেই নীল-সাদা! কোপায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে মেসি মেলালেন বাংলা ও বুয়েনাস এয়ার্সকে
সব খেলার সেরা বাঙালির তুমি ফুটবল। বাঙালির মজ্জায় ঢুকে গিয়েছে ফুটবল। কলকাতা মানেই ফুটবল মক্কা। আবার কলকাতা মিছিল নগরীও। ফুটবল আর রাজনীতি মিলেমিসে একাকার কলকাতার অলিতে-গলিতে। বাংলার অলি-গলি, তস্য গলিও বাদ নেই ফুটবল আর রাজনীতিতে একাকার হয়ে যেতে।

একুশ মানেই নীল-সাদা
মেসির আর্জেন্তিনার কোপা জয়ের দিনে বিশ্ব নীল-সাদা রঙে রঙিন হয়েছে। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলা তো নীল-সাদাই। বাংলায় তাই রাজনীতি আর ফুটবল মিলমিশে একাকার এদিন। তাই আর্জেন্তিনা কোপা আমেরিকা জিততেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টের বন্যা বইতে শুরু করেছে একুশ মানেই নীল-সাদা।

বিপুল জয়ে গোটা বাংলার রং-ই হয়ে গিয়েছে নীল-সাদা
একুশে বিধানসভা নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় এসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিপুল জয়ে গোটা বাংলার রং-ই হয়ে গিয়েছে নীল-সাদা। আর এই একুশের কোপা আমেরিকায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে বাংলার সঙ্গে গোটা বিশ্বকেই নীল-সাদায় রাঙিয়ে দিয়েছে মেসির আর্জেন্তিনা। এটাকে কেউ কেউ মেসি আর মমতার বছর বলেও উল্লেখ করেছেন।

বাংলা থেকে বুয়েনাস এয়ার্স- এই বছরটা নীল-সাদার
সোশ্যাল মিডিয়ায় কত কথার মেলা। কেউ বলছেন বাংলা থেকে বুয়েনাস এয়ার্স- এই বছরটা নীল-সাদার। প্রসঙ্গত উঠেছে ২০১১ সালে কলকাতায় খেলতে এসেছিলেন মেসি। পুরো আর্জেন্তিনা দলকে নিয়ে তিনি এসেছিলেন কলকাতায়। ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে যুবভারতীতে নেমেছিলেন মেসিরা। তখন সবে পরিবর্তন হয়েছে বাংলার।

বাংলায় রাজনীতি আর ফুটবল একাকারে
পরিবর্তনের বাংলাকে নীল-সাদা রঙে রাঙিয়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছিল। তা দেখে মেসি বলেছিলেন তিনি বুঝতেই পারছেন না এটা কলকাতা না রোজারিও। চারিদিকে শুধু নীল-সাদা। মেসি এদিন গোটা বিশ্বকে নীল-সাদায় রাঙিয়ে দিয়েছেন। তাই বাংলায় রাজনীতি আর ফুটবল একাকারে। মমতা যখন বাংলার রাস্তাহাট, অফিস-কাছারি সাজিয়েছেন নীল-সাদায়, এদিন আর্জেন্তিনার ফুটবল সমর্থকরা পুরো এলাককে ভরিয়ে দিয়েছেন নীল-সাদায়।












Click it and Unblock the Notifications