মেসি-রোনাল্ডোকে সামনে রেখেই দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার পরিকল্পনা সৌদি আরবের
মেসি-রোনাল্ডোকে সামনে রেখেই দেশের ভাবমূর্তিকে আরও উজ্জ্বল করতে চাইছে সৌদি আরব। রাজতন্ত্রের কঠোরতা, জটিল আইনী নিয়মে কারনে বিশ্বের পর্যটকদের কাছে অনেকটাই ব্রাত্য থাকে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশ। কিন্তু বিগত কয়েক বছরে পরিকাঠামোর দিক থেকে দারুণ উন্নতি করেছে সৌদি আরব। দেশের উন্নয়ন এবং পর্যটনের প্রচার-প্রসারে ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকাএই ব্যবহার করার পরিকল্পনা নিল সৌদি আরব।
সমালোচকরা বলেন ইয়েমেনের সঙ্গে যুদ্ধ এবং দেশের আভ্যন্তরীণ অশান্তির জন্য বিশ্বের দরবারে অনেকাই ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে সৌদি আরবের। দেশজুড়ে দর্শনীয় স্থান থাকলেও পর্যটকদের গন্তব্যের তালিকায় সেভাবে স্থান পায় না মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশ। এই পরিস্থিতিতে আর্জেন্টাইন তারকাকে আগেই পর্যটনের শুভেচ্ছা দূত হিসাবে নিয়োগ করেছে সৌদি আরব। তবে এই চুক্তির মেয়াদকাল আর অর্থমূল্য সম্পর্কে কিছুই বলা হয়নি তখন। তাই জানাও যায়নি, ঠিক কতদিনের জন্য মেসি সৌদি আরবের পর্যটনদূত হয়েছেন বা কত টাকা পাচ্ছেন।

২০২১ সালে জানা গিয়েছিল ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডোকে সৌদি আরবের দূত হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। প্রতি বছর ৬০ লাখ মার্কিন ডলারের এই প্রস্তাব গ্রহণ করতে সে সময় অস্বীকৃতি জানান পর্তুগিজ মহাতরাকা। এবার মেসির সঙ্গে দেশের ক্লাব আলয় নাসেরে খেলা রোনাল্ডোকেও তাঁদের পরিকল্পনার অংশ করতে চাইছে সৌদি প্রশাসন।
গত মাসেই পিএসজিকে না জানিয়ে স্বপরিবারে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে আসেন মেসি। যা নিয়ে বিতর্কও কম হয়নি। যদিও সৌদি আরবের পর্যটন মন্ত্রী আহমেদ আল খতিব বলেছেন, 'সৌদির পর্যটক দূত মেসি ও তাঁর পরিবারকে আমন্ত্রণ জানাতে পেরে আনন্দিত।'

এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে অর্থনীতিতে দ্রুত উন্নতি করছে সৌদি আরব। ২০৩০ সালে ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্যও বিড করতে চলেছে এই দেশ। কোনও দেশের খেলার বড় মাপের টুর্নামেন্ট হলে দেশটির প্রচার এবং প্রসার যেমন বাড়ে তেমনই পরিকাঠামো ক্ষেত্রেও উন্নতি হয়।

মেসি-রোনাল্ডোকে সামনে রেখেই পর্যটনের প্রসার ঘটাতে চাইছে সৌদি আরব। তাদের লক্ষ্য জিডিপির ১০ শতাংশ পর্যটন থেকে তুলে আনার। এমনকি প্রতি বছর ১০০ মিলিয়ন পর্যটককে দেশে আনার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সৌদি আরব।












Click it and Unblock the Notifications