ফের ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে ছাপিয়ে গেলেন লিওনেল মেসি, ইনস্টাগ্রাম পোস্টে গড়লেন নতুন রেকর্ড
ফের ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে ছাপিয়ে গেলেন লিওনেল মেসি, ইনস্টাগ্রাম পোস্টে গড়লেন নতুন রেকর্ড
ফ্রান্সের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপ ফাইনালে জোড়া গোল করে মাঠের মধ্যে একাধিক রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন লিওনেল মেসি। এ বার মাঠের বাইরেও রেকর্ড গড়া শুরু করে দিলেন এলএম ১০। ইনস্টাগ্রাম পোস্টে তিনি ছাপিয়ে গেলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে। বিশ্বকাপ জেতার পর ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করে মেসি লিখেছিলেন, "বিশ্বের চ্যাম্পিয়ন"। মেসির এই পোস্ট ৪৩ মিলিয়ন লাইক পেয়েছে।

ইনস্টাগ্রামে কোনও স্পোর্টস পার্সনের করা পোস্টে এটাই সর্বাধিক লাইক। মেসির এই পোস্ট ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। বিশ্বকাপের আগে লিওনেল মেসির সঙ্গে দাবা খেলার একটি ছবি নিজের প্রোফাইনলে পোস্ট করেছিলেন রোনাল্ডো, যেটি সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ৪১.৯ মিলিয়ান লাইক পেয়েছে।
বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর লিওনেল মেসি বিশ্বকাপ হাতে পোস্টে লিখেছেন, "বহু বার এর স্বপ্ন আমি দেখেছি, বিরাট ভাবে আমি এটাকে চেয়েছি, আমি এখনও ব্যর্থ হয়ে যায়নি, আমি বিশ্বাস করতে পারছি না... অংখ্য ধন্যবাদ জানাই আমার পরিবারকে, তাদের সকলকে যাঁরা আমায় সমর্থন করেছেন, তাঁদের প্রত্যেককে যাঁরা আমাদের প্রতি বিশ্বাস রেখেছেন। আমরা আবারও প্রমাণ করলাম আমরা আর্জেন্টাইরা যখন একত্রিত ভাবে লড়াই করি তখন যেটার লক্ষ্যে আমরা থাকি সেটা অর্জন করতে পারি। ব্যক্তিগত মেরিটের থেকেও বেশি এই দলের মেরিট। প্রত্যেকেই একটা স্বপ্নকে সফল করার জন্য লড়াই করেছে। আমরা এটা করতে পেরেছি।" দেশবাসীর উদ্দেশ্যে তাঁর বার্তা আমরা দ্রুতই একে অপরকে দেখতে চলেছি।
বিশ্বকাপ ফাইনালে প্রথমে পেনাল্টি থেকে গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন মেসি। মেসি দ্বিতীয় গোলটি পান অ্যাডেড টাইমে। এ ছাড়া আর্জেন্টিনার তৃতীয় গোলটির ক্ষেত্রেও অবদান রয়েছে বিশ্ব ফুটবলের সর্বকালের অন্যতম সফল নক্ষত্রের। এই ম্যাচে প্রায় ৮০ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু শেষ দশ মিনিটে আর্জেন্টিনার রক্ষণের ভুলে এবং কিলিয়ান এমবাপের নৈপুন্য ম্যাচে ফেরা ফ্রান্স। পেনাল্টি থেকে প্রথমে গোল করেন এমবাপে এবং তার দুই মিনিটের মধ্যে ঠিকানা লেখা শটে পরাস্ত করেন আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে। অ্যাডেড টাইমে ১১৮ মিনিটে তৃতীয় গোলটি করে হ্যাটট্রিক সমপন্ন করেন তিনি এবং দলকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন। অ্যাডেড টাইমের অন্তিম লগ্নে বিশ্বমানের সেভ দেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক, না হলে ওখানেই শেষ হয়ে যেত ম্যাচ। অ্যাডিড টাইমের পর ম্যাচ এগোয় টাই ব্রেকারে। সেখানে দিয়েগো মারাদোনার দেশ ৪-২ গোলে পরাস্ত করে ফ্রান্সকে।












Click it and Unblock the Notifications