মেসির সতীর্থর আলোয় উদ্ভাসিত ব্রাজিল, রিয়াল-প্রহরীকে পরাস্ত করে হিরো বার্সা-তারকা
বার্সেলোনার হয়ে এখনও আলো জ্বালাতে পারেননি তিনি। তবে ব্রাজিলিয়ান মি়ডফিল্ডারটি বিশ্বকাপের আসরে বুঝিয়ে দিলেন কেন তাঁকে দলে নেওয়ার জন্য হাপিত্যেশ করে বসেছিল লা-লিগার সেরা ক্লাব।
বার্সেলোনার হয়ে এখনও আলো জ্বালাতে পারেননি তিনি। তবে ব্রাজিলিয়ান মি়ডফিল্ডারটি বিশ্বকাপের আসরে বুঝিয়ে দিলেন কেন তাঁকে দলে নেওয়ার জন্য হাপিত্যেশ করে বসেছিল লা-লিগার সেরা ক্লাব। বার্সা-তারকা কুটিনহো মোক্ষম সময়ে গোল করে ব্রাজিলের জাতীয় দলকে আলোকময় করে তুললেন এদিন। সংযোজিত সময়ে মূলত তার গোলই ব্রাজিলকে জয়ের সরণিতে ফেরাল।

শুধু গোলই নয়, এদিন নেইমারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কার্যকরী ভূমিকা নিয়ছিলেন তিনি। একাধিক সুযোগ তৈরি করেছিলেন। মাঝমাঠে বার্সেলোনাকে নেতৃত্ব দেওয়া থেকে শুরু করে গোলের সুযোগ তৈরি সব জায়গাতেই সবথেকে বেশি নজর কেড়েছেন তিনি। তারপর ৯০ মিনিট দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই চালিয়ে যাওয়া অপ্রতিরোধ্য নাভাসকে হার মানিয়ে ব্রাজিলকে জয় এনে দিয়েছেন বার্সা-তারকা কুটিনহোই।
সাম্বা-ঝড় চলছিলই। তার মধ্যে ৯১ মিনিটের মাথায় কুটিনহো ও ৯৬ মিনিটে নেইমারের গোলে ব্রাজিল দু'গোলে হারাল কোস্টারিকাকে। আক্রমণের ঝড় তুলেও গোল করতে ব্যর্থ ব্রাজিল। খেলা তখন শেষ লগ্নে। তখনই ঝলসে উঠলেন কুটিনহো। নেইমারের বাড়ানো বল জালে জড়িয়ে নিমেষেই বনে গেলেন ম্যাচের নায়ক।
শুধু এই ম্যাচেই নয়, প্রথম ম্যাচেও দলের হয়ে গোল ছিল তাঁর। যদিও সেই ম্যাচ থেকে তিন পয়েন্ট তুলে আনতে পারেননি দল। তাই এদিনের কোস্টারিকা ম্যাচ জয় অবশ্যম্ভাবী হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বার্সা তারকার স্টার পারফরম্যান্সের সৌজন্যে ব্রাজিল প্রয়োজনীয় জয় তুলে নেয়। একেবারে শেষ মুহূর্তে গোল করে নেইমারও এবারের বিশ্বকাপে জয়ের খাতা খোলেন।
ব্রাজিলের একের পর এক আক্রমণ আছড়ে পড়ছিল কোস্টারিকার বক্সে। ফল পেতে অপেক্ষা করতে হল ৯১ মিনিট। নেইমারের বাড়ানো বল থেকে কুটিনহো গোল করে দলকে এগিয়ে দিলেন। প্রথম ম্যাচে ২১টি সুযোগ তৈরি করেছিল দল। তা থেকে একমাত্র গোল করেছিলেন কুটিনহো। সেদিন আটকে গেলেও এদিন ব্রাজিলের জয়ের নায়ক তিনিই।












Click it and Unblock the Notifications