যুবভারতীতে মহারণ, ব্রাজিল- ইংল্যান্ডের লড়াই দেখতে ফুটছে কলকাতা
কলকাতাবাসীর কাছে আর কয়েক ঘন্টার অপেক্ষা। তারপরই ব্রাজিল বনাম ইংল্যান্ড ম্যাচের উন্মাদনায় মাতবে তিলোত্তমা।
আর কয়েক ঘন্টার অপেক্ষা, তারপরই ফের একবার ব্রাজিল বনাম ইংল্যান্ড মেগা ম্য়াচের সাক্ষী হতে চলেছে কলকাতার ফুটবলপ্রেমী দর্শক। তিন মিনিটে কলকাতায় ম্যাচ করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। গুয়াহাটিকে বাতিল করার পর ফিফার পছন্দের তালিকায় প্রথমেই ছিল যুবভারতী। ফিফার দেওয়া সুযোগ মুহূর্তে কাজে লাগিয়ে আরও এক মেগা ম্যাচ আয়োজনের জন্য তৈরি যুবভারতী।

কলকাতার মাঠে গ্রুপ পর্বের সবকটি ম্যাচ খেলেছে ইংল্যান্ড, খেলেছে প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচও । কার্যত এবারের অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে যুবভারতী ব্রিটিশ বাহিনীর হোম গ্রাউন্ড হয়ে উঠেছে। হাতের তালুর মত এই মাঠকে চিনে গেছেন তাঁরা। অন্যদিকে কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিল বুঝতে পেরে গেছে কলকাতা তাঁদের কাছে দ্বিতীয় মারাকানা। ফলে সেমিফাইনালের আগে মাঠ চেনার ক্ষেত্রে ব্রাজিল ইংল্যান্ডের থেকে এক ইঞ্চি পিছিয়ে থাকলেও জন সমর্থনের দিক থেকে কয়েক শো কিলোমিটার এগিয়ে ব্রাজিল।

জার্মানির বিপক্ষের প্রথম একাদশ অপরিবর্তিতই রাখতে চলেছেন ব্রাজিলের কোচ। টুর্নামেন্টে দুটো গোল হজমের মধ্যে একটা এসেছে পেনাল্টি থেকে। তাই এ ব্যাপারে একটু জোর দিলেন। এরকম হাইভোল্টেজ ম্যাচে সেট পিস মুভমেন্ট খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তাই প্রাক ম্যাচ অনুশীলনে তা করালেন আমাদেউ। অন্যদিকে কুপার জোর দিলেন মাঝমাঠের উপর। ইংল্যান্ড কোচ খুব ভালই জানেন, জার্মানি ম্যাচের শেষভাগের মতো ব্রাজিল যদি তার স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারে, আর উইং থেকে সাম্বা ঝড় ওঠে, তবে খেলা ঘুরিয়ে দিতে মাঝমাঠকে বড় ভূমিকা নিতেই হবে। ব্রাজিল থেকে এসে বাংলা মাতানো ব্যারেটো জানিয়েছেন, এই মেগা ম্যাচে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ যার কাছে থাকবে তারই ম্যাচ পকেটে পোড়ার সুযোগ কয়েক গুণ বেড়ে যাবে।

ইংল্যান্ড এবারের টুর্নামেন্টে দুটো গোল খেয়েছে। গোল করেছে ১৫ বার। ব্রাজিল সেখানে ১১। তবে এই ধরণের ম্যাচে কোনও পরিসংখ্যান , কোনও ফেভারিট তকমা কিছুই কাজে লাগে না তা জানেন দুই দলের থিঙ্কট্যাঙ্কই। তাই দলের ফুটবলারদেরও তাঁরা বুঝিয়ে দিয়েছেন এই ম্যাচে স্কিল যতটা কাজে লাগবে , ঠিক ততটাই কাজে লাগবে নার্ভ ধরে রাখার দক্ষতাও।












Click it and Unblock the Notifications