Kalinga Super Cup 2024: ইউস্তের গোলের পাল্টা ক্লেইটনের, পেনাল্টি মিস দিমিত্রির, বিরতিতে ইস্ট-মোহন ডার্বি ১-১
Kalinga Super Cup 2024: কলিঙ্গ সুপার কাপে ভুবনেশ্বরে চলছে কলকাতা ডার্বি। ইস্টবেঙ্গল বনাম মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট ম্যাচ বিরতিতে ১-১।
সেমিফাইনালে যেতে হলে ইস্টবেঙ্গলের প্রয়োজন ড্র। লাল হলুদকে ছিটকে দিয়ে শেষ চারে যাওয়ার জন্য মোহনবাগান সুপার জায়ান্টকে জিততেই হবে।

ম্যাচের তিন মিনিটে কিয়ান নাসিরির ক্রস জালে জড়িয়েছিলেন মোহনবাগান এসজির সাদিকু। যদিও অফ সাইডের কারণে তা বাতিল হয়। এরপর হুগো বুমোস ক্রস ভাসিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গলের বক্সে, তা হেড দিয়ে বিপন্মুক্ত করেন হিজাজি।
মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট শুরু থেকেই আক্রমণে জোর দিয়েছিল। ম্যাচের রাশ ধরার চেষ্টা চালাতে থাকে লাল হলুদও। এরপরই কাঙ্ক্ষিত গোলটি পেয়ে যায় মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। পরপর কয়েকটি কর্নার, তার একটি থেকেই আসে গোল। ১৯ মিনিটে দিমিত্রি পেত্রাতসের নেওয়া কর্নারে হাল্কা ফ্লিকে বল জালে জড়ান ইউস্তে।
যদিও বাগানের এই অগ্রগমন দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ইস্টবেঙ্গল বাগান অর্ধে চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করতে থাকে। বিশেষ করে নন্দ কুমার। এরই মধ্য়ে একটি থ্রো পায় লাল হলুদ। বাগানের রক্ষণভাগের ফুটবলাররা বল বিপন্মুক্ত করতে পারেননি। জটলার মধ্যে থেকে ২৪ মিনিটের মাথায় জোরালো শটে গোল করেন ইস্টবেঙ্গল অধিনায়ক ক্লেইটন সিলভা।
মোহনবাগানের দিমিত্রি পেত্রাতস, আশিস রাইরা ফের দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রয়াস চালাতে থাকেন। তবে লাল হলুদ রক্ষণভাগে তা প্রতিহত হয়। ২৯ মিনিট নাগাদ নন্দ কুমার বাগানের বক্সে পড়ে যেতেই পেনাল্টির আবেদন জানাতে থাকে ইস্টবেঙ্গল। যদিও রেফারি কর্ণপাত করেননি।
তবে রিপ্লেতে দেখা যায় বাগানের ফুটবলারের পা লাগাতেই পড়ে গিয়েছিলেন নন্দ। সেক্ষেত্রে পেনাল্টি পেতেও পারতো ইস্টবেঙ্গল। রেফারির সিদ্ধান্তে অসন্তোষ লক্ষ্য করা যায় ইস্টবেঙ্গল হেড কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাতের চোখেমুখে। ৩৩ মিনিট নাগাদ দলকে এগিয়ে দেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করেন নন্দ।
এরপর দুই দলই গোল করার চেষ্টা চালাতে থাকে। কিন্তু আক্রমণ সেভাবে দানা বাঁধছিল না। প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে কিয়ান নাসিরির বুদ্ধিমত্তার ফলে পেনাল্টি পায় মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। কিয়ানের শট বক্সের মধ্যে হিজাজির হাতে লেগেছিল। হিজাজি হলুদ কার্ড দেখেন।
পেনাল্টি নিতে যান দিমিত্রি পেত্রাতস। বল জালে জড়িয়ে সেলিব্রেশনও শুরু করে দিয়েছিলেন। কিন্তু বৈধভাবে পেনাল্টি না নেওয়ায় ফের তাঁকে শট নেওয়ার নির্দেশ দেন রেফারি। এবার পোস্টে বল মেরে বসেন পেত্রাতস। ফিরতি বলেও কাজের কাজ করতে পারেননি সবুজ মেরুন ফুটবলাররা। ফলে বিরতিতে স্কোরলাইন থাকে ১-১। রেফারির সিদ্ধান্তে তিনি যে খুশি নন ড্রেসিংরুমে যাওয়ার সময় তা বুঝিয়ে দেন কুয়াদ্রাত।












Click it and Unblock the Notifications