কাতার বিশ্বকাপেও দেখা যাবে না ইতালিকে, নর্থ মেসিডোনিয়ার বিরুদ্ধে হেরে যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ আজুরিরা
কাতার বিশ্বকাপেও দেখা যাবে না ইতালিকে, নর্থ মেসিডোনিয়ার বিরুদ্ধে হেরে যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ আজুরিরা
ফের বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন করতে ব্যর্থ হল ইতালি। নর্থ মেসিডোনিয়ার বিরুদ্ধে শেষ মুহূর্তের গোলে হেরে স্বপ্ন ভঙ্গ হল ইউরো কাপ বিজয়ীদের। ২০১৮ বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছিল ইতালি। ফের ২০২২-এ বিশ্ব ফুটবলের মেগা টুর্নামেন্টে দেখা যাবে না আজুরিদের।

অন্ধকার অধ্যায় কাটিয়ে রবার্তো মানচিনির হাতে পরে ঘুরে দাঁড়ায় ইতালি। ২০২০ ইউরো'তে মানচিনির কোচিং-এ চ্যাম্পিয়ন হয় ইতালি। বিশ্বকাপের নিকিট নিশ্চিত করতে হলে এই ম্যাচ কোনও ভাবেই হারা যেত না ইতালির। দুর্বল নর্থ ম্যাসেডোনিয়ার বিরুদ্ধে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে ইতালি। পুরো ম্যাচে ৬৫ শতাংশ বল নিয়ন্ত্রণ ছিল ইতালির দখলে।
সারা ম্যাচে গোল লক্ষ্য করে ৩২টি শট নিয়েছিল ইতালি। যার মধ্যে পাঁচটি ছিল অন টার্গেট। একাধিক ক্ষেত্রে সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পায়নি আজুরিরা। ম্যাচের সেরা সুযোগটা প্রথমার্ধে পেয়েছিলেন ফরওয়ার্ড ডমেনিকো বেরার্ডি। প্রায় ফাঁকা গোল পেয়েও তে-কাঠিতে বল রাখতে পারেননি বেরার্ডি।
ম্যাচের প্রায় শেষ মিনিটে অর্থাৎ দ্বিতীয়ার্ধের ৯০ মিনিটের পর সংযুক্তি সময়ে (৯২ মিনিটে) লুস বল পেয়ে বোজান মিওভিস্কির পাস থেকে গোল করে যান গোরান পানডেভের দেশের স্ট্রাইকার অ্যালেক্সজান্ডার ট্রাজকোভিস্কি।
এ দিন ম্যাচের শেষে হতাশা গোপন করতে পারেননি মানচিনি। তিনি বলেন, "ঠিক যেমন জুলাইয়ে আমার সেরা কিছু ঘটেছিল (ইউরো কাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ইতালি) তেমনই এটা আমার কাছে সব থেকে বড় ব্যর্থতা। আমার খেলোয়াড়দের জন্য খারাপ লাগছে। এতটাই হতাশ আমি যে আমার ভবিষ্যৎ নিয়েও কিছু বলতে পারব না।" পাশাপাশি এই হারের জন্য নিজেকেই দায়ী করেছেন মানচিনি। তাঁর কথায়, "সেই ম্যাচ নিয়ে আলোচনা করাটাই খুব কঠিন যেখানে আমরা ৪০টি শট নিয়েছি আর প্রতিপক্ষ একটা কিংবা দু'টি নিয়েছে। আমি কোচ। ফুটবলে যখন প্রত্যাশা মতো কিছু ঘটে না তখন কোচেরই দোষ হয়, তাই আমিই দায়ী।"
২০১৪ সালে শেষ বার বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল ইতালি। ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনকারী পর্বে ব্যর্থ হওয়ার পর ফের ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে ব্যর্থ হওয়ার অর্থ ইতালি যদি ২০২৬ বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন করে তা হলে সেটা ১২ বছরের মাথায় আজুরিদের বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ মঞ্চে প্রত্যাবর্তন হবে। ইতালির এই অবাক হারে বিস্মিত গোটা ফুটবল মহল।












Click it and Unblock the Notifications