ISL: সেরাদের তালিকায় মোহনবাগান এসজি থেকে শুধুই বিশাল, সমর্থকদের কী বার্তা দিলেন কর্তারা?
লিগ শিল্ড জয়ের পর থেকে মোহনবাগান সমর্থকদের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল দ্বিমুকুট জয়ের। গত মরশুমে লিগ শিল্ড জয়ের পরও আইএসএল ট্রফি জেতা হয়নি। ফাইনালে উঠেও হারতে হয়েছিল মোহনবাগান এসজিকে। কিন্তু চলতি মরশুমে তার পুনরাবৃত্তি হল না। প্রতিপক্ষ বেঙ্গালুরু এফসিকে হারিয়ে আইএসএল ট্রফিও জিতে নিল সবুজ মেরুন ব্রিগেড।
সেইসঙ্গে আরও একটা মিথ ভেঙে দিল মোহনবাগান এসজি। এতদিন ঘরের মাঠে ফাইনাল আইএসএল ট্রফি জিততে পারেনি কোনও দল। কিন্তু সেটাই শনিবার যুবভারতীতে করে দেখালেন জেমি ম্যাকলারেন, জেসন কামিংসরা। ম্যাচ শেষে সবুজ মেরুন সমর্থকদের বাঁধন ছাড়া উল্লাস দেখা গিয়েছিল যুবভারতী সামনে। এবার সেলিব্রেশনের পার্ট টু অপেক্ষা করছে। লিগ শিল্ড জয়ের পরও কোনরকম সেলিব্রেশন হয়নি।

মোহনবাগান এসজির ফোকাস ছিল আইএসএল ট্রফির দিকেই। দ্বিমুকুট জয়ের পরই সেলিব্রেশনে যাবতীয় পরিকল্পনা তৈরি করে ফেলেছে মোহনবাগান এসজি। আগামী মঙ্গলবার ১লা বৈশাখ ময়দানের ঐতিহ্যবাহী বার পুজো। সেদিনই কি সেলিব্রেশন হবে মোহনবাগানের দুটি ট্রফি জয়ের।
যদিও ম্যাচ শেষে মোহনবাগান সচিব দেবাশিস দত্ত বলেছেন, এটা একটা ঈর্ষণীয় সাফল্য। অতীতের সাফল্য নিয়ে অনেকে অনেক কিছু বলতে পারে। বিগত দুই তিন মরশুম ধরেই মোহনবাগান যে ফুটবল খেলছে তা অভূতপূর্ব। গতবার লিগ শিল্ড জিতেছিলাম। এবার দুটো ট্রফি পেলাম আমি আগেই বলেছিলাম অত্যন্ত কঠিন ম্যাচ হবে। কিন্তু আমাদের ফুটবলাররা অত্যন্ত পেশাদার। তাই এক গোলে পিছিয়ে পড়েও দুরন্ত ভাবে ম্যাচে ফিরে এল এবং জয় পেল।
একই সঙ্গে সেলিব্রেশন প্রসঙ্গে তিনি বলেন,আমি এইটুকু বলতে পারি খুব দ্রুতই দুটো ট্রফি ক্লাবে যাবে, আমার সঙ্গে মাননীয় সঞ্জীব গোয়েঙ্কার কথা হয়ে গিয়েছে, খুব শীঘ্রই এই বিষয়ে ঘোষণা করা হবে।
অন্যদিকে সঞ্জীব গোয়েঙ্কা বলেন, এটা পুরোপুরি সমর্থকদের আশীর্বাদ, তাদের আশীর্বাদের জন্যই আমরা এই সাফল্য পেয়েছি আমাদের আবেদন সমর্থকরা আরও সমর্থন করতে থাকুন। আমরা আরও সাফল্য আনব। এটা একটা অভূতপূর্ব বিষয় একইসঙ্গে লিগ শিল্ড এবং আইএসএল ট্রফি জিতলাম। ট্রফি নিয়ে কবে ক্লাবে যাবেন এই প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে সঞ্জীব গোয়েন্দা বলেন, দেখা যাক.
ফাইনালের নায়ক দুই অজি তারকা জেসন কামিংস এবং জেমি ম্যাকলারেন। দ্বিমুকুট জয়ের পর ম্যাকলারেন বলেন, দারুণ একটা অনুভূতি। আমরা বলেছিলাম, জিতে দেখাব, সেটাই করতে পেরেছি। এই মুহূর্তটা উপভোগ করতে চাই। সমর্থকরা আমাদের পাশে ছিল ফলে জানতাম ধৈর্য ধরে রাখতে পারলে গোল পাবই। আমি বেশ কয়েকটা সুযোগ পেয়েছিলাম। কোচ আমার ওপর ভরসা রেখেছিলেন। শেষ পর্যন্ত সুযোগ কাজে লাগাতে পেরে ভালো লাগছে।
এবার সোনার বুট, সোনার বল পেলেন আলাদিন আজেরাই। সোনার গ্লাভস পেলেন বিশাল কাইথ। সেরা নজরকাড়া ফুটবলার হলেন এফসি গোয়ার ব্রাইসন ফের্নান্দেস। সেরাদের তালিকায় বাগান থেকে শুধুই বিশালই।












Click it and Unblock the Notifications