গতবারের মতো এবারও ATK কে গোল করে জেতালেন এক বঙ্গসন্তানই
পেনাল্টি শ্যুটের সময়ে শেষমুহূর্তে যিনি গোল করে কলকাতাকে গোল করে জেতালেন তিনি কিন্তু কোনও বিদেশি নন। কলকাতার খাঁটি এক বঙ্গসন্তান। নাম শেখ জুয়েল রাজা। ২০১৪ সালে যেমন কলকাতাকে জিতিয়েছিলেন মহম্মদ রফিক।
আতলেতিকো দে কলকাতা ফের একবার ফুটবলে ভারতসেরার তকমা পেল। আইএসএলের মতো টুর্নামেন্টের প্রথম তিনবছরের মধ্যে ২ বার জয়ী আতলেতিকো দে কলকাতা। এইবছর গোটা টুর্নামেন্টে মাত্র ২টি ম্যাচ হেরেছে কলকাতা। বাকী সব ম্যাচে অপরাজিত থেকে ট্রফি ঘরে তুলল হোসে মোলিনার দল।
এবছর কলকাতার জয়ে দলের প্রতিটি খেলোয়াড়ের কমবেশি অবদান রয়েছে। গোলকিপার দেবজিৎ মজুমদার যেমন পেনাল্টির সময়ও একটি শট অসাধারণ দক্ষতায় পা দিয়ে রুখে দিয়ে কলকাতার জয়ে অসাধারণ ভূমিকা রেখেছেন।

গোটা টুর্নামেন্টে অসাধারণ ফুটবল খেলা কলকাতার আক্রমণভাগের সেরা খেলোয়াড় ইয়ান হিউম ফাইনালেও অসাধারণ খেলেছেন। তিনি পোস্তিগার সঙ্গে মিলে বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করেন। তবে গোল করতে পারেননি। তবে কলকাতাকে ফাইনালে তোলার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। টুর্নামেন্টের তো বটেই, আইএসএলের সব মরশুম মিলিয়ে তিনিই সবচেয়ে বেশি গোল করেছেন।
তবে পেনাল্টি শ্যুটের সময়ে শেষমুহূর্তে যিনি গোল করে কলকাতাকে গোল করে জেতালেন তিনি কিন্তু কোনও বিদেশি নন। কলকাতার খাঁটি এক বঙ্গসন্তান। নাম শেখ জুয়েল রাজা।
এই জুয়েল রাজার গোলেই শেষপর্যন্ত কেরলের বিরুদ্ধে ৪-৩ গোলে ম্যাচ জিতে আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হয়েথে কলকাতা। জুয়েল যখন শট নিয়ে গিয়েছেন তখন গোটা দলের চাপ তাঁর কাঁধে। কারণ প্রথম পেনাল্টি শট হিউম মিস করে বসেছিলেন। পরে দেবজিতের গোলকিপিং ও কেরল খেলোয়াড়দের গোলের মধ্যে বল রাখতে না পারা সুযোগ তৈরি করলেও জুয়েলকে গোল করতেই হতো।

নাহলে কলকাতা এবছর ট্রফি জিততে পারত না। তবে মোহনবাগানে খেলে যাওয়া জাতীয় দলের খেলোয়াড় জুয়েল কোনও ভুল করেননি। ঠান্ডা মাথায় ডান পায়ের শটে গোলকিপারকে বোকা বানিয়ে বল জড়িয়ে দেন জালে। ব্যস উৎসব শুরু হয়ে যায় এটিকে শিবিরে।
২০১৪ সালে কলকাতা যখন উদ্বোধনী মরশুমে ট্রফি জিতেছিল তখনও এই কেরলকেই ফাইনালে হারায়। আর সেবার কলকাতা ফাইনালে মহম্মদ রফিকের একমাত্র গোলে জিতেছিল। এবার সেই রফিক কেরলের হয়ে খেলছিলেন। তাকে মাঠে নামিয়েওছিলেন কেরল কোচ কপেল। তবে কেরলের হয়ে গোল করে দলকে জেতাতে পারেননি বঙ্গসন্তান রফিক।
এবার সেই দায়িত্ব কলকাতার হয়ে কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন শেখ জুয়েল রাজা। বজবজের ছেলে জুয়েল মোহনবাগান, ডেম্পোতে খেলেছেন। এখন জাতীয় দলের নিয়মিত সদস্য। তাঁর করা শেষ গোলেই এবার চ্যাম্পিয়ন আতলেতিকো দে কলকাতা।












Click it and Unblock the Notifications