ভারতীয় ফুটবলের এ কোন বিজ্ঞাপন, দেশে এবার দুই জাতীয় লিগ
এএফসি-র আপাত সান্ত্বনার সমাধান, এ মরশুমের জন্য আই লিগ ও আইএসএল দুটোই থাকবে। আইলিগ জয়ী দল খেলবে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে, আইএসএল জয়ী দল খেলবে এএফসি কাপে
আইসিএলকে স্বীকৃতি দিয়ে দিল এএফসি। দিন কয়েক আগে এএফসি-র মেগা বৈঠকে কোনও সমাধানসূত্র দিতে পারেনি। এএফসি-র সাধারণ সচিব উইন্ডসর সেসময় এআইএফএফ কে সাময়িক সমাধান সূত্র বের করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু এআইএফএফ তাতেও ব্যর্থ।
এআইএফএফের প্রাথমিক প্রস্তাব ছিল আই লিগ , আইএসএল ছাড়াও হবে সুপার লিগ। আই লিগে-র প্রথম তিনটি দল ও আইএসএলের প্রথম তিনটি দল খেলবে এই লিগে। দু'দিনের মধ্যেই মুখ থুবড়ে পড়ে এআইএফএফের এই সমাধান সূত্র। আইএমজি-র একটা বড় অংশ একেবারেই বেঁকে বসে এই প্রস্তাবে। আই লিগের দলগুলিও ভীষণ রেগে যায় এআইএফএফের সার্বিক ব্যর্থতায়। শাঁখের করাতে আটকে ফের এএফসি-র কাছে পৌঁছয় ভারতীয় ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা। প্রাথমিক ভাবে যে এএফসি আইএসএলকে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করেছিল, তারাই এবার স্বীকৃতি দিয়ে দিল রিলায়েন্সের আইএসএলকে।

বুধবার আইএসএল কে স্বীকৃতি দেওয়া এএফসি-র চিঠি এসে পৌঁছয় দিল্লিতে ফেডারেশনের সদর দফতরে। এর ফলে সামনের বছর এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলবে আই লিগ জয়ী দল। অন্যদিকে আইএসএল জয়ী দল খেলবে এএফসি কাপে। তবে এএফসি -র এই সমাধান সূত্র মাত্র এক মরশুমের জন্য। ২০১৭-১৮-র পর থেকে ভারতীয় ফুটবলে একটিই লিগ থাকবে।

এদিকে, এই ধরণের ঘোষণার পর চাপে মোহনবাগান -ইস্টবেঙ্গলের মত দলগুলি কার্যত চাপে। আইএসএলে প্রাপ্য অর্থের পরিমাণ অনেক বেশি তাই ফুটবলাররা ওই দলগুলিতেই খেলতে বেশি আগ্রহী হবেন। ফলে দ্রুত দল গোছানোর কাজে নেমে পড়েছে মোহনবাগান। কলকাতা লিগে কিংসলে, বায়ো কামো, ক্রোমাকে বিদেশি হিসেবে নিয়েছে। যদি চতুর্থ বিদেশি নেওয়া যায় তাহলে পরে আরও এক বিদেশিকে নেবে তাঁরা। তবে সনিকে ধরে রাখার বিষয়ে দারুণ আশাবাদী সবুজ-মেরুণ শিবির। তাঁদের দাবি কলকাতা লিগ হয়ে যাওয়ার পর আট মাসের জন্য সস্ত্রীক সনিকে থাকার সুবিধা দেবে মোহনবাগান। যা অন্য কোনও ক্লাব বা ফ্রাঞ্চাইজি দেবে না।
এদিকে ঘর গুছিয়ে নিচ্ছে ইস্টবেঙ্গলও। ইতিমধ্যেই বেঙ্গালুরুর ঘর ভেঙে ইস্টবেঙ্গলের জালে ডিফেন্ডার সালাম রঞ্জন সিং। চার্চিল থেকে এলেন গাব্রিয়েল ফার্নান্ডেজ।












Click it and Unblock the Notifications