ISL 2023-24: তৃণমূলের ব্রিগেডে বদলাচ্ছে না আইএসএলের কলকাতা ডার্বির দিন, ইস্ট-মোহন দ্বৈরথ সরছে না অন্যত্র
ISL 2023-24: আইএসএলে কলকাতা ডার্বির দিন বদলাচ্ছে না। রবিবার ১০ মার্চ বিবেকান্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনেই তা হবে। ওইদিনই ব্রিগেডে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের জনগর্জন সভা।
এই পরিস্থিতিতে ১০ মার্চ ডার্বিতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছিল বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট। যদিও অবশেষে জট কেটেছে। তবে ম্যাচ শুরুর সময় এখনও স্থির হয়নি।

কয়েক দিন ধরেই ডার্বির দিন বদল নিয়ে চাপানউতোর চলছিল। এবারের ডার্বির আয়োজক ইস্টবেঙ্গল। বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের কর্তারা দফায় দফায় বৈঠক করেন লাল হলুদ কর্তাদের সঙ্গে। তখন অনুরোধ করা হয়, রবিবার ডার্বি হলে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব নয়।
ডার্বি একদিন এগিয়ে আনার কথাও শোনা গিয়েছিল। যদিও তাতেও আপত্তি ছিল পুলিশের। এই পরিস্থিতিতে ডার্বি আরও বেশ কয়েকদিন পিছিয়ে যাবে কিনা তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়। তবে আইএসএলের আয়োজক এফএসডিএল এই দিন বদলে আপত্তি জানায়। এমন জল্পনাও ছিল, কলকাতা ডার্বি সরবে জামশেদপুরে।
রাজনৈতিক সভার জন্য আইএসএল ডার্বির দিনক্ষণ নিয়ে অনিশ্চয়তা ভালোভাবে নেননি দুই দলের সমর্থকরাও। তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যের শাসক দলের গুডবুকে থাকতে দুই ক্লাব এবং প্রাক্তন ফুটবলারদেরও প্রতিবাদে সরব হতে দেখা যায়নি।
এরই মধ্যে বিষয়টিতে লাগে রাজনৈতিক রং। ডিওয়াইএফআইয়ের তরফে আজ বিবৃতি জারি করে লেখা হয়, মুখ্যমন্ত্রী বারবার দাবি করেন এই সরকার নাকি বাংলার খেলাধুলোর পাশে রয়েছে। অথচ তাঁর দলের খামখেয়ালি সিদ্ধান্তে আঘাত পেয়েছে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের অগণিত সমর্থকদের আবেগ।
বাংলার বড় ম্যাচের অনিশ্চয়তার প্রতিবাদে দুই দলের সমর্থকদেরই গর্জে ওঠার আহ্বান জানিয়েছিল ডিওয়াইএফআই। এরই মধ্যে বদলাতে থাকে পরিস্থিতি। জানা গিয়েছে, ম্যাচের সময় বদলালে আপত্তি নেই বলে পুলিশের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়। ফলে ১০ মার্চই হচ্ছে আইএসএলে কলকাতা ডার্বি।
বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনেই ম্য়াচটি হচ্ছে। তবে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় তা শুরু হবে না। ম্যাচ শুরুর সময়ের সঙ্গে অনেক বিষয় জড়িয়ে থাকে। বিশেষ করে সম্প্রচারকারী সংস্থার মতামত। জানা যাচ্ছে, রাত ৯টা থেকে ম্যাচ শুরুর কথা ভাবা হচ্ছে। তবে তা আরও আধ ঘণ্টা আগে অর্থাৎ রাত সাড়ে ৮টাতেও শুরু হতে পারে।
ম্যাচ শেষ হতে অনেকটাই দেরি হয়ে যাবে। ফলে সমর্থকদের ফেরার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। যদিও পর্যাপ্ত বাসের বন্দোবস্ত থাকবে বলেও জানা যাচ্ছে। ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর বন্দোবস্ত করা যায় কিনা তা নিয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে।












Click it and Unblock the Notifications