এএফসি মহিলা এশিয়ান কাপ থেকে বাধ্য হয়ে নাম প্রত্যাহার করল ভারত, কোভিড আক্রান্ত ১২ ফুটবলার
এএফসি মহিলা এশিয়ান কাপ থেকে বাধ্য হয়ে নাম প্রত্যাহার করল ভারত, কোভিড আক্রান্ত ১২ ফুটবলার
মঞ্চ তৈরি ছিল, প্রস্তুতিও ছিল তুঙ্গে-দেশের মাটিতে মহিয়া ফুটবলের সব থেকে বড় প্রতিযোগীতায় নিজেদের সেরাটা মেলে ধরার জন্য কোনও কসুর রাখেনি থমাস ডেননার্বি এবং তাঁর প্রশিক্ষণাধীন ভারতীয় মহিলা দল। পরিকল্পনা মাফিক পথ চলা শুরু হলেও বাঁধ সাধল করোনা ভাইরাস। এএফসি মহিলা এশিয়ান কাপের দ্বিতীয় ম্যাচে নামার আগেই প্রতিযোগীতা থেকে দল প্রত্যাহার করে নিল ভারত।

ইরানের বিরুদ্ধে উদ্বোধনী দিন গ্রুপের প্রথম ম্যাচে নামার আগে দুই ভারতীয় ফুটবলার কোভিড আক্রান্ত হয়েছিলেন। সেই সংখ্যাটাই মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১২। যার জেরে চাইনিজ তাইপের বিরুদ্ধে দল নামানোর মতো খেলোয়াড় হাতে ছিল না ভারতের। শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করে এএফসি ৪.১ ধারায় ম্যাচ বাতিল ঘোষণা করে এশিয়া ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা।
কোভিড সংক্রমণ দলের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার আগে চোটের কারণে প্রতিযোগীতা থেকে ছিটকে গিয়েছিলেন ভারতের দুই ফুটবলার। নিজেদের আইনের ধারা ৪.১-এ ভারতীয় দলের এই সিদ্ধান্তকে মান্যতা দিয়েছে এশিয়া ফুটবল কনফেডারেশন।
অপ্রত্যাশিত এই পরিস্থিতিতে হতাশা প্রকাশ করেছেন সর্ব ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি প্রফুল্ল পটেলও। তিনি বলেছেন, "গোটা দেশের মতো এই অবাঞ্ছিত পরিস্থিতিতে আমরাও হতাশ। তবে আমাদের কাছে প্রধাণ গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্য এবং ভাল থাকা। কোনও পরিস্থিতিতেই সেটা নিয়ে কমপ্রোমাইজ করার জায়গা নেই। আমি প্রত্যেকের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। এআইএফএফ এবং এএফসি সব রকম ভাবে তাঁদের সাহ্য করবে।"
চাইনিজ তাইপের বিরুদ্ধে দল নামানোর মতো ১৩ জন ফুটবলারও ছিল না ভারতের হাতে। চাইনিজ তাইপে ওয়ার্ম আপ করলেও ভারতীয় শিবিরের এক জনকেও মাঠে দেখা যায়নি। ২৬ জানুয়ারি পরবর্তী গ্রুপের শেষ ম্যাচে চিনের বিরুদ্ধে মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল ভারতের। ৩০ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে নক আউট পর্ব। এই পরিস্থিতিতে পূর্ব পরিকল্পিত সূচি মেনে নক আউট পর্ব আয়োজন করাই বড় চ্যালেঞ্জ এএফসি'র কাছে। চলতি টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে চারটি দলই আসন্ন ২০২৩ ফিফা মহিলা বিশ্বকাপে খেলবে। মহিলাদের বিশ্বকাপ আয়োজিত হবে অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডে। কোভিডের কারণে প্রতিযোগীতা থএকে নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ার ফলে বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনের দুরন্ত সুযোগ থেকে বঞ্চিত হল ভারত। কারণ শুধু চার সেমিফাইনালিস্টই নয়, প্লে অফের সব ম্যাচ জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে হারা দুই দলের মধ্যে ইন্টারকন্টিনেন্টাল প্লে-অফি বিজয়ী দলও জায়গা করে নেবে বিশ্বকাপে।












Click it and Unblock the Notifications