ডুডু যেন ফুটন্ত আগ্নেয়গিরি, চেন্নাইকে ৭-১ হারিয়ে খেতাবের দৌড়ে ইস্টবেঙ্গল
চেন্নাই সিটি এফসি-র বিরুদ্ধে খেলতে নেমে যেন বিপক্ষের ঘুম ছুটিয়ে দিলেন ইস্টবেঙ্গল খেলোয়াড়রা। ডুডু ওমাগবেমি একাই করলেন চারগোল।
খেতাবের দৌড়ে টিঁকে থাকতে হলে সব ম্যাচ জিততে হবে। এই অবস্থায় চেন্নাই সিটি এফসি-র বিরুদ্ধে খেলতে নেমে যেন বিপক্ষের ঘুম ছুটিয়ে দিলেন ইস্টবেঙ্গল খেলোয়াড়রা। ডুডু ওমাগবেমি একাই করলেন চারগোল। সবমিলিয়ে ৭-১ গোলে চেন্নাইকে হারিয়ে অন্যতম বড় জয় পেল লাল-হলুদ শিবির।

ঘরের মাঠে এদিন ইতিবাচক মনোভাব নিয়েই খেলতে নেমেছিল ইস্টবেঙ্গল। সল্টলেক স্টেডিয়ামে মূল লক্ষ্য ছিল জয়। তাকে ছাপিয়ে আরও গনগনে আঁচে জ্বলে উঠল মশাল। ডুডু করলেন মরশুমের প্রথম হ্যাটট্রিক।
কেরলের গোকুলাম এফসি-র বিরুদ্ধে ১-২ হেরে যাওয়ার পরে কোচ খালিদ জামিল চারটি পরিবর্তন করেছিলেন দলে। অর্ণব মন্ডল, ডানমাওইয়া, সামাদ ও ইয়ামিকে সরিয়ে দলে আনা হয় গুরবিন্দর, মেহতাব, ব্র্যান্ডন ও আনসুমানাহকে।
মাঝমাঠে মেহতাব ও আল-আমনার জুটি ম্যাচ ধরে নেয়। তবে গোলের সুযোগ পেলেও মেহতাব গোল করতে পারেননি। আল আমনা ছিলেন দারুণ ভয়ঙ্কর বক্সের মধ্যে। ২০ মিনিটের মাথায় প্রথম গোল করেন। তবে চেন্নাইয়ের গোলকিপার কবীর দুটি নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে দেন।
২৩ মিনিটের মাথায় চেন্নাইয়ের ধর্মরাজ নিজের গোলে বল জড়িয়ে দেন। তারপরে ম্যাচের ৩২ মিনিটে প্রথম গোল করেন ডুডু।
দ্বিতীয়ার্ধে ৪৯ মিনিট, ৫৬ মিনিট ও ৬১ মিনিটে ফের গোল করেন ডুডু। ততক্ষণে হ্যাটট্রিক হয়ে গিয়েছে। ৮৪ মিনিটের মাথায় গ্যাব্রিয়েল ফার্নান্ডেজ ৮৪ মিনিটে গোল করে শেষ পেরেক পোঁতেন চেন্নাইয়ের কফিনে। চেন্নাইয়ের হয়ে ৫৯ মিনিটের মাথায় মশহুর শরিফ একমাত্র গোল করেন।
এই ম্যাচে জিতে ১৬ ম্যাচে ৮টি জয় ও ২৯ পয়েন্ট নিয়ে লিগ তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল ইস্টবেঙ্গল।












Click it and Unblock the Notifications