বিশ্বমানের ভলিতে মশাল নিভিয়ে দিলেন ডিকা, ২-০ গোলে ডার্বি জয় মোহনবাগানের
প্রথমার্ধে কার্যত ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্সকে ঘোল খাইয়ে ২-০ গোলে এগিয়ে যায় মোহনবাগান। তারপরে আর গোল শোধ করতে পারেনি লাল হলুদ ব্রিগেড।
সনি নর্ডি-হীন মোহনবাগানকে হারিয়ে দিতে বিশেষ বেগ পেতে হবে না ইস্টবেঙ্গলকে। প্রাক্তন থেকে বিশেষজ্ঞরা সকলেই রবিবাসরীয় ডার্বিতে লাল হলুদ ব্রিগেডকে এগিয়ে রেখেছিলেন। তবে খেলা শুরু হতেই সমস্তটাই উলট-পুরাণ। প্রথমার্ধে কার্যত ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্সকে ঘোল খাইয়ে প্রথমার্ধেই ২-০ গোলে এগিয়ে যায় মোহনবাগান। তারপরে আর গোল শোধ করতে পারেনি লাল হলুদ ব্রিগেড। শেষপর্যন্ত মোহনবাগান এই ব্যবধান বজায় রেখেই ডার্বি জিতে নিল।

ম্যাচের শুরুতেই ২ মিনিটের মাথায় গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ডিপান্ডা ডিকা। তারপরে প্রথমার্ধের ৩৫ মিনিটের মাথায় অসাধারণ ভলিতে লাল-হলুদ জালে বল জড়িয়ে ২-০ গোলে এগিয়ে দেন পালতোলা নৌকা ব্রিগেডকে।
প্রথমার্ধে বল পজেশন থেকে শুরু করে আক্রমণ ও গোলে নিশানা, সব জায়াগাতেই ইস্টবেঙ্গলকে টপকে গিয়েছেন মোহনবাগান। এদিন মাঝমাঠে আক্রম অসাধারণ খেলেন। ম্যাচের ফল হতে পারত মোহনবাগানের পক্ষে ৫-০। তবে আক্রম সহ অনেকেই সহজ সুযোগ মিস করেন।
দ্বিতীয়ার্ধে খেলতে নেমে ইস্টবেঙ্গলও বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করেছিল। তবে মোহনবাগান ডিফেন্স সময় বুঝে তা আটকে দেয়। আবার কিছুক্ষেত্রে ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণভাগের খেলোয়াড়রা বল গোলে জড়াতে ব্যর্থ হন।
এদিনের জয়ের ফলে মোহনবাগান আই লিগে ষষ্ঠ স্থান থেকে একলাফে চতুর্থ স্থানে উঠে এল। ১০ ম্যাচের শঙ্করলালের ছেলেদের পয়েন্ট ১৬। এদিকে ইস্টবেঙ্গল ১১ ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে রইল। মিনার্ভা ৯ ম্যাচে ২২ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে।
মোহনবাগান দল : কিংগসলে, কিংশুক দেবনাথ (অধিনায়ক), রিকি লালাওমাওমা, ডিপান্ডা ডিকা, আক্রম মোগরাভি, অরিজিত্ বাগুই, ক্যামরুন ওয়াটসন, শিল্টন পাল, নিখিল কদম, রেনিয়ার ফার্নান্ডেজ, শেখ ফৈয়াজ
ইস্টবেঙ্গল দল : অর্নব মন্ডল (অধিনায়ক), লালরাম চুলোভা, মহম্মদ আল আমনা, মহম্মদ রফিক, উইলিস প্লাজা, কাটসুমি ইউসা, লুই ব্যারেটো (গোলরক্ষক), এডুয়ার্ডো ফেরেরা, সালাম রঞ্জন সিংহ, প্রকাশ সরকার, ডুডু ওমাগবেমি












Click it and Unblock the Notifications