ইউরোপীয় দল হলেও ফ্রান্সই এখন আফ্রিকার একমাত্র ‘প্রতিনিধি’
কোয়ার্টার ফাইনালের টিম লাইনআপ ঠিক হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। ৩২টি দল থেকে টুর্নামেন্টে এসে ঠেকেছে আটটি দল। কিন্তু কোনও আফ্রিকার দল নেই এই আটটি দলের মধ্যে।
কোয়ার্টার ফাইনালের টিম লাইনআপ ঠিক হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। ৩২টি দল থেকে টুর্নামেন্টে এসে ঠেকেছে আটটি দল। কিন্তু উল্লেখযোগ্য ভাবে কোনও আফ্রিকার দল নেই এই আটটি দলের মধ্যে।
তবে, কোনও আফ্রিকার দল না থাকলেও পরক্ষ ভাবে ভাল মতোই রয়ে গিয়েছে আফ্রিকা। শুনতে অবাক লাগলেও এটিই ঘটনা।

কোয়ার্টার ফাইনালে যে আটটি দেশ আছে তার মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য ১৯৯৮ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। যারা এই বিশ্বকাপেও নজরকাড়া পারফর্ম করছে। বিশ্বকাপ থেকে আর্জেন্তিনার বিদায়ের কারণ এই দল।
কিন্তু ফ্রান্স দল এই বিশ্বকাপে ২৩ জনের যে দল ঘোষণা করেছে তার মধ্যে ১৫ জনই আফ্রিকান বা আফ্রিকান বংশোদ্ভূত। ক্যামেরুন, সেনেগাল, নাইজেরিয়ার বহু ফুটবলারই বিশ্বকাপের মঞ্চে এখন প্রতিনিধিত্ব করছেন ফ্রান্সের জার্সি গায়ে।
ফ্রান্সের এই দলে সুযোগ পাওয়া গোলরক্ষক স্টিভ মানদান্দার জন্ম ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে। এই দলের অন্যতম ডিফেন্ডার প্রেসনেল কিম্পেম্বের জন্ম ফ্রান্সে হলেও তাঁর বাবা কঙ্গোর নাগরিক, মা হাইতির।
বার্সেলোনার স্যামুয়েল উমতিতিও এই ফ্রান্সের অন্যতম সম্পদ। ক্যামেরুণে জন্ম উমতিতির। ফ্রান্সের অন্যতম অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার আদিল রামি ফ্রান্সে জন্মালেও তাঁর বাবা এবং মা মরক্কোর বাসিন্দা। ফ্রান্সে জন্মানো সিদিবে মা-বাবা দু'জনেই মালি থেকে এসেছেন ফ্রান্সে। ফ্রান্সে জন্মেছেন বেঞ্জামিন মেন্ডি। তাঁর মা এবং বাবা দু'জনেই সেনেগালের নাগরিক ছিলেন।
আফ্রিকার দলটির অন্যতম বড় সম্পদ পল পোগবা। ফ্রান্সে জন্মালেও তাঁর বাবা-মা দু'জনেই এসেছেন আফ্রিকার গিনি থেকে। ফ্রান্সের টমাস লেমার নাইজেরীয় বংশোদ্ভূত। কোরেন্তিন টোলিসো-র জন্ম ফ্রান্সে। কিন্তু তাঁর বাবা-মা এসেছিলেন টোগো থেকে।
একই ঘটনা এনগোলে কঁতের ক্ষেত্রেও। ফ্রান্সে জন্মালেও তাঁর পরিবার ফ্রান্সে এসেছিল মালি থেকে। ফ্রান্সে জন্মানো মাতুইদির বাবা অ্যাঙ্গোলা থেকে এসেছিলেন ফ্রান্সে। তাঁর মা ছিলেন কঙ্গোর নিবাসী।
এনজোঞ্জির বাবা-মা দু'জনেই কঙ্গো থেকে এসেছিলেন ফ্রান্সে। আর্জেন্তিনা বধের নায়ক কিলিয়ান এমবাপের বাবা ক্যামেরুন এবং মা আলজিরিয়া থেকে এসেছিলেন ফ্রান্সে। যদিও এমবাপে জন্মেছেন ফ্রান্সেই। দেম্বেলের বাবা নাইজিরিয়া থেকে এসেছিলেন ফ্রান্সে। মা সেনেগালের নিবাসী ছিলেন। ফেকির এই ফ্রান্সের অন্যতম সম্পদ। তাঁর বাবা এবং মা দুই জনেই আলজিরিয়া থেকে ফ্রান্সে এসেছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications