Euro Cup 2024: হ্যারি কেনের গোলে নজির, অধিনায়ক হিসেবেও ঈর্ষণীয় কীর্তি নিশ্চিত, উচ্ছ্বাস ওয়াটকিন্সকে নিয়েও
Euro Cup 2024: নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে নাটকীয় জয় ছিনিয়ে নিয়ে ইউরো কাপের ফাইনালে ইংল্যান্ড। রবিবারের ফাইনালে স্পেন বধ সেরে ৫৮ বছরের ট্রফির খরা মেটাতে বদ্ধপরিকর হ্যারি কেনরা।
জাভি সিমন্সের গোলে নেদারল্যান্ডস এগিয়ে যাওয়ার পর হ্যারি কেনের গোলে সমতা ফেরায় ইংল্যান্ড। এরপর কেনের পরিবর্ত হিসেবে নামা অলি ওয়াটকিন্স ৯০ মিনিটে জয়সূচক গোল করেন।
ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেন বলেন, অসাধারণ কীর্তির মাধ্যমে আমরা ইতিহাস গড়লাম। প্রত্যেক প্লেয়ার, সাপোর্ট স্টাফদের জন্য আমি গর্বিত। বিদেশের মাটিতে আমরা যা করে দেখালাম তা সত্য়িই স্পেশ্যাল। আর একটি ম্যাচ রয়েছে। ধারাবাহিকতা বজায় রেখে রবিবারের ফাইনাল জিততে হবে।
কেনের মতে, প্রথমার্ধে খেলায় বেশি নিয়ন্ত্রণ ছিল ইংল্যান্ডেরই। দ্বিতীয়ার্ধে কয়েকজনের ক্ষেক্রে ক্লান্তি গ্রাস করছিল। তবে যোগ্য দল হিসেবেই ফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড। ফাইনালে জিতলে আরও এক ইতিহাস রচিত হবে। সেটা ভেবেই সকলে উত্তেজিত।
সফর কঠিন। তবে ৯০ মিনিট, অতিরিক্ত সময় বা পেনাল্টি শ্যুটআউট- যে কোনও মূল্যে জয় চাইছে ইংল্যান্ড। স্পেনের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত থ্রি লায়ন্স। আগের ইউরোর ফাইনাল খেলেও পেনাল্টি শ্যুটআউটে ইতালির কাছে হারতে হয়েছিল। এবার তার পুনরাবৃত্তি হতে দিতে নারাজ কেনরা।
অলি ওয়াটকিন্স এর আগে গ্রুপ সি-র ম্য়াচে ডেনমার্কের বিরুদ্ধে কেনের পরিবর্ত হিসেবেই নেমেছিলেন। সেমিফাইনালে জয়সূচক গোল করে নায়ক হয়ে যাওয়া ওয়াটকিন্স চলতি ইউরোর দ্বিতীয় ম্যাচ খেললেন। কেন ও জুড বেলিংহ্যাম এই সতীর্থকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত।
ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেন বলেন, ম্যাচের জন্য প্রস্তুত থাকার কথা বলা হয়। আমরা বড় দল, সব সময় প্রস্তুত থাকি। কোনও ফুটবলার ১ থেকে ৫ মিনিট পেলেও ফারাক গড়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। তাঁরা টুর্নামেন্ট জেতাতে পারেন। ফলে বোঝাই যাচ্ছে, ওয়াটকিন্স ফাইনালেও কেনের তুরুপের তাস।
জুড বেলিংহ্যামের কথায়, ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করছিলেন ওয়াটকিন্স। তারপর মাঠে নেমেই যা করেছেন তা অসাধারণ। তিনি যোগ্য হিসেবেই এই সাফল্য পেলেন। তাঁর জন্য ভালো লাগছে। সুযোগের পূর্ণ সদ্ব্যবহার করলেন দারুণভাবেই।
বেলিংহ্যাম আরও বলেন, পরিবার, ছুটি মিস করতে হচ্ছে। ক্লাবের হয়ে প্রথম একাদশেও থাকলেও ইংল্যান্ড দলে সেটা হচ্ছে না অলির। কিন্তু যেভাবে অলি আমাদের বাঁচালেন তাতে তাঁকে হিরো বলতে কোনও দ্বিধা নেই। উল্লেখ্য, এই নিয়ে চলতি ইউরোয় চারবার ৯০ মিনিট বা তার পর গোল পেল ইংল্যান্ড।
এদিকে, পেনাল্টি থেকে করা গোলে হ্যারি কেন নজির গড়লেন। ইউরো কাপে নক আউট পর্বে ষষ্ঠ গোলটি করে তিনি পিছনে ফেলে দিলেন আন্তোনি গ্রিজম্যানকে। ইউরো ও বিশ্বকাপের নক আউট পর্ব মিলিয়ে এটি কেনের নবম গোল। যা ইউরোপীয় প্লেয়ারদের মধ্যে সর্বাধিক।
ইউরো ও বিশ্বকাপের নক আউট পর্বে আটটি করে গোল রয়েছে কিলিয়ান এমবাপে, গার্ড মুলার, আন্তোনি গ্রিজম্যান ও মিরোস্লাভ ক্লোসের। ইউরো কাপে নিজের সপ্তম গোলটি পেয়ে কেন স্পর্শ করলেন অ্যালান শিয়েরারের নজির।
সুপার সাব হিসেবে ইউরো কাপে গোল করার নজির ছিল জর্ডন হেন্ডারসনের (২০২০-র ইউরোয়)। তবে সেটি জয়সূচক গোল ছিল না। ফলে ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে ইউরোর নক আউটে গোল ওয়াটকিন্স, যা প্রথম জয়সূচক গোলও।













Click it and Unblock the Notifications