কলকাতা ও মমতা বন্দোপাধ্যায়ে মজে জিয়ানি ইনফানন্তিনো। জুরিখে পৌঁছেই তাই বার্তা পাঠিয়ে দিলেন ফিফা প্রেসিডেন্ট।
ছবি সৌজন্যে : টুইটার
কলকাতায় এসেই বুঝেছিলেন, ফুটবলের প্রতি কলকাতার টান। । যেভাবে একদিনের নোটিশে গুয়াহাটি থেকে সেমিফাইনাল কলকাতায় সরে আসার পর সফল হয়েছে প্রথমে তাতে চমকে গিয়েছিলেন ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ানি ইনফানন্তিনো। তারপর ফাইনালের আগে কলকাতায় এসে মুখ্যমন্ত্রীর আতিথেয়তা ও বাঙালিদের ফুটবল প্রেম দেখে তিনি অভিভূত। তাই জুরিখ পৌঁছে ফিফা সভাপতি চিঠি দিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কুর্নিশ জানিয়েছেন।
গ্রাফিক্স সৌজন্যে : ইন্দ্রানী সরকার
নবান্নে তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের আধিকারিক বিবেক কুমার সেই চিঠির পৌঁছনোর সুসংবাদ দেন। চিঠিতে ইনফান্তিনো মনিজের মুগ্ধতার কথা জানিয়েছেন। যুব বিশ্বকাপের আয়োজন, যুবভারতীর পরিকাঠামো, সবকিছুর জন্যই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রশস্তি করেছেন তিনি।
গ্রাফিক্স সৌজন্যে: ইন্দ্রাণী সরকার
গ্রাফিক্স সৌজন্য়ে : ইন্দ্রাণী সরকার
নবান্নের আধিকারিকের বয়ানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে ফসল বুনেছিলেন তাই ফল দিল এত সুন্দরভাবে ।
ভারতের ফুটবলের উন্নতিতে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন ফিফা সভাপতি। তাঁর আরও ভাল লেগেছে, ফুটবল উৎকর্ষ কেন্দ্র তৈরির জন্য যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী ১৫ একর জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন, তা দেখে। ইনফ্যান্টিনোও জানিয়েছেন, রাজারহাটে ওই উৎকর্ষ কেন্দ্র তৈরির জন্য ফিফাও ১১ মিলিয়ন ডলার দেবে । যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৭১ কোটি টাকা। সব ঠিক চললে পশ্চিমবঙ্গে যদি ফুটবল হাব হয় তাহলে এই বরাদ্দ এখানেই আসবে।