ইউরো-কোপার আবহে নাম ও বয়স ভাড়ানো স্টুটগার্টের তরুণ স্ট্রাইকার নির্বাসিত
ইউরো-কোপার আবহে নাম ও বয়স ভাড়ানো স্টুটগার্টের তরুণ স্ট্রাইকার নির্বাসিত
কার্যত একই সঙ্গে শুরু হয়েছে ইউরো কাপ এবং কোপা আমেরিকা। করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক ভুলে জীবনের খোঁজে যখন ফুটবলকেই আঁকড়ে ধরতে চাইছেন মানুষ, তখন কোনও ফুটবলারের নির্বাসন সেই ছন্দে তাল কেটে দেয় বইকি! নাম ও বয়স ভাড়িয়ে খেলার অপরাধে জার্মান দল ভিএফবি স্টুটগার্টের স্ট্রাইকারকে তিন মাসের জন্য সব ধরনের ফুটবল থেকে ব্রাত্য করা হয়েছে। তাঁকে আর্থিক জরিমানাও করা হয়েছে।

আফ্রিকার গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের ওই ফুটবলারের আসল নাম সিলাস কাটোম্পা মভুম্পা বলে জানা গিয়েছে। তিনি এক বছর ধরে সিলাস ওয়ামানগীতুকা ফুন্দু নামে জার্মান ক্লাবের হয়ে বিভিন্ন ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছিলেন বলে অভিযোগ। কেবল নাম নয়, সিলাসের বিরুদ্ধে বয়স ভাড়ানোরও অভিযোগ উঠেছে। যে অপরাধে তাঁকে তিন মাসের জন্য নির্বাসিত করা হয়েছে। সিলাসকে ৩০ হাজার ইউরো আর্থিক জরিমানাও করা হয়েছে। অপরাধ কবুল করায় এ যাত্রায় অল্পের ওপর দিয়ে বেঁচে গিয়েছেন কঙ্গোর তরুণ।
অপরাধ কবুল করেও এই ইস্যুতে নিজেকে পুরোপুরি দোষী মানতে রাজি হননি সিলাস কাটোম্পা মভুম্পা। বক্তব্য, কিশোর বয়স থেকে যে এজেন্ট ফুটবল সংক্রান্ত তাঁর যাবতীয় সবকিছু দেখাশুনো করত, তার পরামর্শেই তিনি এই কাজ করেছেন। তাতে চিড়ে গলবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে সিলাসের ক্লাব ভিএফবি স্টুটগার্ট। জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এ ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। আগামী ১৩ অগাস্ট থেকে ক্লাব ফুটবলের নতুন মরসুম শুরু হচ্ছে। তখন থেকে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওই ফুটবলার মাঠে নামতে পারবেন বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
গত মরসুমে ভিএফবি স্টুটগার্টের হয়ে সবচেয়ে বেশি গোল করা সিলাস কাটোম্পা মভুম্পা নিজেই নিজের পরিচয় দিয়েছেন। জানিয়েছেন যে তাঁর জন্ম ১৯৯৮ সালে। তার প্রেক্ষিতে ওই ফুটবলারের বর্তমান বয়স হয় ২২ বছর। কিন্তু ১৯৯৮ সালে জন্ম দেখিয়ে তিনি জার্মান ক্লাবের হয়ে টানা এক বছর খেলেন বলে নিজেই স্বীকার করেছেন কঙ্গোর ফুটবলার। যিনি ১৭ বছর বয়সে জন্মস্থান ছেড়ে ফ্রান্সের লোয়ার ডিভিশন ক্লাব আলেসে যোগ দিয়েছিলেন। ২০১৯ সালে জার্মান ক্লাব ভিএফবি স্টুটগার্টের সঙ্গে তিনি চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন। গত মরসুমে ওই ক্লাবের হয়ে ১১টি গোল করেছেন সিলাস।












Click it and Unblock the Notifications