RG Kar Hospital: আরজি কাণ্ডে প্রতিবাদে সোচ্চার মেহতাব, তিন প্রধানের প্রতিবাদী সমর্থকদের জন্য দিলেন বার্তা
আরজি কর কাণ্ডের জেরে বাতিল হয়ে গিয়েছে ডুরান্ড কাপের ডার্বি ম্যাচ। উপযুক্ত নিরাপত্তার অভাবের কথা জানিয়ে রবিবাসরীয় ডুরান্ডের ডার্বি বাতিল করে দেওয়া হয়। এরই প্রতিবাদে রবিবার বিক্ষোভে সামিল হন বাংলার ফুটবলপ্রেমীরা। শুধু দুই প্রধানের সমর্থকরাই নন প্রতিবাদে সামিল হচ্ছেন বর্তমান প্রজন্মের তারকা ফুটবলাররা। শুভাশিস বসু, প্রীতম কোটাল, সৌভিক চক্রবর্তীর পর এবার সেই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলেন মেহতাব হোসেন।
সোমবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও বার্তা পোস্ট করেন মেহেতাব হোসেন।সেখানেই আরজি কর কাণ্ড এবং ডার্বি বাতিলের প্রতিবাদে অংশ নেওয়া সমর্থকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন মেহতাব হোসেন।

মেহতাব নিজের বক্তব্যে বলেন, 'অনেকেই কাল যুবভারতীর সামনে ঘটা প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে আমার প্রতিক্রিয়া খুঁজছিলেন। দুঃখিত, আমি ভ্রমণ করছিলাম এবং অফিস লিগের খেলা থাকার জন্য কলকাতার বাইরে থাকায় আমি তোমাদের মিছিলে অংশ নিতে পারেনি। তিন বড় ক্লাবের সমর্থকরা পুলিশের হাত থেকে ন্যায়ের দাবিতে বুক দিয়ে আগলাচ্ছেন এক অপরকে। এটা দারুণ একটা দৃশ্য বাংলার জন্য। '
একইসঙ্গে মেহেতাব বলেন, খেলা হবে দিবসের দুদিন পর ঘোষণা হলো খেলা হবে না। এই প্রতিবাদের মধ্যে শুধু ফুটবল প্রেম নয়, এর সঙ্গে মিশে আছে অনেক আবেগ। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীতা আছে আর প্রতিবাদের আগুন। আপনি চাইলে রুখে দেবেন? বাংলার ফুটবল নিয়ে ছিনিমিনি নয়। যা গতি দেখছি গোল তো হবেই এবার কিন্তু জাল ছিঁড়ে বেরিয়ে যাবে রোষের আগুন।'
এখানেই থেমে না থেকে প্রাক্তন এই ফুটবলার আরও বলেন, যে সমস্ত মানুষ লড়াই আন্দোলনে পথে নামলেন তাদের সকলকে সেলাম। লড়াকু অভিনন্দন। লড়াই থামানো যাবে না। বাংলার মানুষের ঐক্য বেঁচে থাকুক, ময়দানি ঐক্য বেঁচে থাকুক!
যুবভারতীর বাইরে ডার্বি বাতিলের দিন নিজে সস্ত্রীক হাজির হয়েছিলেন মোহনবাগান এসজির গত মরশুমের অধিনায়ক শুভাশিস বসু। তিনি মিছিলে হেঁটে বলেছেন, এই ঘটনার পরে আমার স্ত্রী-ও রাস্তায় একা বেরতে ভয় পাবে। এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে যতদিন না ন্যায়বিচার পাওয়া যাবে, ততদিন আন্দোলন চলবে।
ইস্টবেঙ্গলে ফুটবলার সৌভিক চক্রবর্তী আগেই লিখেছিলেন, ঐতিহ্যের ডার্বি ম্যাচে খেলতে না পেরে খুবই দুঃখিত। আমরা যত ডার্বি খেলি বা দেখি না কেন, প্রতিটি খেলারই খেলার মানুষের কাছে আলাদা বিশেষত্ব থাকে। তবে আমি খুশি যে এই গুরুত্বপূর্ণ কারণে বাঙালি সমাজ এক হয়েছে। বাঙাল এবং ঘটি, দুই পক্ষই তাদের বোনের জন্য একসাথে দাঁড়িয়েছে।' প্রীতম কোটাল, প্রবীর দাসরাও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
বর্তমান প্রজন্ম সরব হলেও নীরব প্রাক্তন ফুটবলাররা। সুব্রত ভট্টাচার্য, মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য, গৌতম সরকার, মানস ভট্টাচার্যরা এখনও প্রতিবাদে সরব হননি।












Click it and Unblock the Notifications