FIFA World Cup 2022: ফ্রান্স চাইছে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়, আর্জেন্তিনাকে হারালেই কোন কোন নজির?

ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে রবিবার ভারতীয় সময় রাত সাড়ে ৮টা থেকে লুসাইল স্টেডিয়ামে আর্জেন্তিনার বিরুদ্ধে খেলতে নামবে ফ্রান্স। দিদিয়ের দেশঁ-র দল ২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপ জিতেছিল ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে। ১৯৬২ সালে শেষবার ব্রাজিল পরপর দুবার বিশ্বকাপ জিতেছিল। ৬০ বছর পর সেই নজির স্পর্শের মুখে ফ্রান্স।

ব্রাজিল ও ইতালির নজির স্পর্শের মুখে ফ্রান্স

ব্রাজিল ও ইতালির নজির স্পর্শের মুখে ফ্রান্স

বিশ্বকাপ পরপর দুবার জেতার নজির রয়েছে দুই দেশের। ১৯৩৪ ও ১৯৩৮ সালে ইতালি এবং ১৯৫৮ ও ১৯৬২ সালে ব্রাজিলের। ১৯৯৮ সালে ফ্রান্সের কাছে বিশ্বকাপ হেরেছিল ব্রাজিল। না হলে পেলের দেশ বিশ্বকাপ জয়ের হ্যাটট্রিক সেরে ফেলতে পারতো। কেন না, ব্রাজিল ১৯৯৪ ও ২০০২ সালে কাপ জিতেছিল, হেরেছিল আটানব্বইয়ে।

দেশঁ গড়তে পারেন একাধিক নজির

দিদিয়ের দেশঁর প্রশিক্ষণাধীন ফ্রান্স। কিলিয়ান এমবাপেরা যদি এবার বিশ্বকাপ জিততে পারেন তাহলে দিদিয়ের দেশঁ হেড কোচ বা ম্যানেজার হিসেবে ছুঁয়ে ফেলবেন ভিত্তোরিও পোজোর নজির। ১৯৩৪ ও ১৯৩৮ সালে তাঁর কোচিংয়েই বিশ্বকাপ জিতেছিল ইতালি। পরপর বিশ্বজয়ের নজির থাকলেও কোচ হিসেবে এখনও অবধি আর কেউ পরপর দুটি বিশ্বকাপ জিততে পারেননি। এখানেই শেষ নয়। খেলোয়াড় হিসেবে একবার এবং জাতীয় দলের ম্যানেজার হিসেবে দুবার বিশ্বকাপ জেতার নজির গড়বেন দেশঁ। এমন নজির বিশ্বে আর কারও নেই। ব্রাজিলের মারিও জাগালো ১৯৫৮ ও ১৯৬২ সালের বিশ্বকাপ জিতেছিলেন ফুটবলার হিসেবে, ১৯৭০ সালে তাঁর প্রশিক্ষণাধীন ব্রাজিল বিশ্বকাপ জেতে। ১৯৭৪ সালে ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ছিলেন, ১৯৯০ সালে তাঁর প্রশিক্ষণাধীন পশ্চিম জার্মানি বিশ্বকাপ জিতেছিল। উল্লেখ্য, দেশঁ ছিলেন ১৯৯৮ সালে ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী দলের অধিনায়ক। তাঁর প্রশিক্ষণে ২০১৮ সালে রাশিয়ায় বিশ্বকাপ জেতে ফ্রান্স।

ইউরোপের দাপট

ফ্রান্স যদি এবার বিশ্বকাপ জেতে তাহলে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ক্ষেত্রে ইউরোপের দাপট অব্যাহত থাকবে। ২০০৬ সাল থেকে ইউরোপের দেশই বিশ্বকাপ জিতে আসছে। ফাইনালে ফ্রান্স জিতলে আর্জেন্তিনাকে বিশ্বকাপের ইতিহাসে চারবার রানার-আপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে। ১৯৩০, ১৯৯০ ও ২০১৪ সালে আর্জেন্তিনা ফাইনালে উঠেও হেরে গিয়েছিল।

সোনার বুটের দৌড়

সোনার বুটের দৌড়

সোনার বুটের দৌড়ে কিলিয়ান এমবাপে ও লিওনেল মেসি পাঁচটি করে গোল করেছেন। তবে তাঁরা একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকলে পেনাল্টি থেকে কম গোল করায় এমবাপেই পাবেন সোনার বল। আর্জেন্তিনার জুলিয়ান আলভারেজ ও ফ্রান্সের অলিভিয়ের জিরু করেছেন চারটি করে গোল। ফলে এমবাপে যদি ফাইনালে একটি গোল করেন তাহলেই তাঁর সোনার বুট নিশ্চিত হয়ে যেতে পারে। গোলের সংখ্যা সমান হলে প্রথমে দেখা হবে পেনাল্টি থেকে কে কত কম গোল করেছেন। তাতেও নিষ্পত্তি না হলে দেখা হবে অ্যাসিস্টের সংখ্যা।

এমবাপে এককভাবে রেকর্ড গড়তে পারেন

এমবাপে এককভাবে রেকর্ড গড়তে পারেন

কিলিয়ান এমবাপে ব্যক্তিগতভাবে রেকর্ডও গড়তে পারেন। যদি তিনি আর একটি গোল করেন তাহলে চলতি বিশ্বকাপে তাঁর গোলের সংখ্যা হবে ৬। ২৪ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগে কোনও বিশ্বকাপে ৬টি গোল করার নিরিখে তিনি ধরে ফেলবেন ব্রাজিলের পেলে, আর্জেন্তিনার মারিও কেম্পেস ও কলম্বিয়ার জেমস রডরিগেজের নজির। ২০ ডিসেম্বর এমবাপের ২৪ বছর পূর্ণ হবে। ফাইনালে তিনি দুটি গোল করলে এত কম বয়সে কোনও একটি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করার রেকর্ডটি এককভাবে নিজের দখলে রাখতে পারবেন।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+