ভিএআর প্রযুক্তিই মোড় ঘুরিয়ে দিল ফ্রান্স বনাম অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের, কী এই ভিএআর
ফিফা বিশ্বকাপ ২০১৮: ভিএআর প্রযুক্তি ফ্রান্স-অস্ট্রেলিয়া ম্য়াচের টার্নিং পয়েন্ট হয়ে দাঁড়ালো।
অস্ট্রেলিয়া ফ্রান্স ম্যাচের পরে কে কেমন খেললোর থেকেও বেশই আলোচনা হচ্ছে ভিএআর প্রযুক্তি নিয়ে। ফ্রান্স এই ম্যাচে পেনাল্টি পেয়েছে এই প্রযুক্তির সাহায্যেই। তাই সবার আগ্রহের বিষয় এখন ভিএআর। কি এই ভিএআর বা ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি?

যারা ক্রিকেটের সঙ্গে পরিচিত তারা সহজেই বিষয়টি ধরতে পারবেন। এটা বলা যেতে পারে অনেকটা থার্ড আম্পায়ারের মতো। সহজ কথায় একজন টিভিতে খেলা দেখে মাঠের রেফারিকে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহনের বিষয়ে পরামর্শ দেবেন।
বিশ্বকাপের জন্য মস্কো শহরে ভিএআর-এর জন্য একটি বিশেষ হাব গড়া হয়েছে। সেখআনে ১৩ জন রেফারিকে রাখা হয়েছে। প্রত্যেক ম্যাচে একজন করে দায়িত্ব পান। তাঁর সঙ্গে থাকেন তিনজন সহকারি। খেলা দেখতে দেখতে কোথাও ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে মনে হলে তাঁরা মাঠের রেফারিকে সতর্ক করেন। রেফারি মনে করলে খেলা থামিয়ে তাঁদের কাছ থেকে পরামর্শ নিতে পারেন। যেরকমটা দেখা গিয়েছে গ্রিজম্যানকে ফাউল করার ক্ষেত্রে।
তবে ভিএআর-এর ক্ষমতা শুধু পরামর্শ দেওয়া পর্যন্তই চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রেফারিরই। তিনি মনে করলে ভিএআর-এর বিরুদ্ধেও যেতে পারেন। গোল, পেনাল্টি, কার্ড দেখআনোর মতো ফাউল, বা অনেকসময় মাঠে ভুল খোলোয়ারকে কার্ড দেখানো হলে ভিএআর মাঠের রেফারিকে সতর্ক করতে পারে।
এতে যোগ্য দলের জেতার সম্ভাবনা বাড়বে বলে দাবি করা হয়েছে। ফ্রান্স কিন্তু আজ এই প্রযুক্তির সাহায্য না পেলে জিততে পারত না। ৫৮ মিনিটে ওই পেনাল্টি থেকে গোল করার পরই অসিদের ফাঁস থেকে কিছুটা মুক্ত হয়েছিল ফরাসীরা। নাহলে তার আগে যত সময় যাচ্ছিল ততই ফ্রান্সকে চেপে ধরছিল অস্ট্রেলিয়া। ভিএআর প্রযুক্তিই বলা যেতে পারে মোড় ঘুরিয়ে দিল ম্যাচের।












Click it and Unblock the Notifications