ভিএআর-পেনাল্টিই সুইডেন বনাম দক্ষিণ কোরিয়া ম্যাচের তফাত গড়ে দিল
ফিফা বিশ্বকাপ ২০১৮: ভিএআর-পেনাল্টিই সুইডেন বনাম দক্ষিণ কোরিয়া ম্যাচের তফাত গড়ে দিল
বিশ্বকাপ ফুটবলে ফের ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির সুপারিশ ম্যাচের নির্ণায়ক হয়ে দাঁড়াল। নিঝনি নভোগোরোদ স্টেডিয়ামে ভিএআর-এর বদান্যতাতেই পেনাল্টি পেল সুইডেন। আর সেই পেনাল্টি থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে গোল করে দলকে ১-০ 'য় জেতালেন সুইডিশ অধিনায়ক আন্দ্রেই গ্রানকুভিস্ট।

ম্যাচের ৬৫ মিনিটে পেনাল্টি পায় সুইডেন। তার আগে একের পর এক সুযোগ পেয়েও বেশিরভাগ বল নিশানায় রাখতে পারেনি তারা। যেগুলি গোলে রাখতে পেরেছিল আটকে গিয়েছিল ছটফটে দক্ষিণ কোরিয় গোলরক্ষক জো হিওন উ-এর কাছে। কিন্তু সুইডেনের চাপের মুখে কিম মিন-উ ভিক্টর ক্লাসেনকে বক্সের মধ্যে ফাউল করে বসেন।
যদিও ফাউলটি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কারণ এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ভিএআর এর সাহায্যে। ক্লাসেন পড়ে যাওয়ার পরও রেফারি জোয়েল আগুলার প্রথমে পেনাল্টি দেননি। সুইডেনের খেলোয়ারদের তীব্র প্রতিবাদের মধ্যেই তিনি খেলা চালিয়ে যান। এরপর খেলা থামিয়ে ভিএআর-এর সাহায্য নিয়ে রেফারি ফাউল ও পেনাল্টি দেন।
এটা কী পেনাল্টি ছিল? হয়তো ছিল। কিন্তু, ঘটনার সময় একেবারে সামনেই দাঁড়িয়েছিলেন রেফারি। সেখান থেকে তাঁর যে ঘটনাকে ফাউল মনে হয়নি, ভিডিও স্ক্রিনে কি এমন দেখলেন যাতে তিনি সিদ্ধান্ত বদলালেন - এই প্রশ্ন উঠছে। তবে যাইহোক সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করে আপাতত বিশ্বকাপে গ্রুপের পয়েন্ট তালিকায় বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জার্মানির আগে চলে গেল সুইডেন। জার্মানির কাজটা আরও কঠিন হয়ে গেল।
ভিএআর নিয়ে অনেকের অভিযোগ ছিল, এটা খেলার গতিকে মন্থর করে দেবে। ফুটবলে যেখানে একটানা উত্তেজনাটাই প্রধান আকর্ষণ সেখানে বারবার খেলা থামিয়ে ভিডিও দেখলে খেলার মেজাজটাই হারিয়ে যাবে। প্রথমে ফ্রান্স, তারপর সুইডেন - দুই দলই এই প্রযুক্তির সাহায্যে জয় পাওয়ার পর এখন অনেকেই বলছেন এই প্রযুক্তি কিন্তু অনেক হিসেবই এদিক- ওদিক করে দেবে। আর দুটি ম্যাচেই দেখা গিয়েছে, সময়ও যেরকম লাগবে মনে করা হয়েছিল, তা লাগছে না।
মাত্র কয়েকবছর আগে হলেও অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ফ্রান্স আর দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে সুইডেন জিততে পারত না। কিন্তু একুশ শতক প্রযুক্তির যুগ। কাজেই তার হাত ধরে ফুটবলও যে এগোবে সেটাই স্বাভাবিক।












Click it and Unblock the Notifications